যুক্তরাষ্ট্রের হিলসবরো কাউন্টি শেরিফ কার্যালয় এবং ইউএসএফ পুলিশের তৎপরতায় ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির খুনি সন্দেহে গ্রেপ্তার হিশাম সালেহ আবুঘরবেহর জামিন আবেদন নাকচ করে তাঁকে বন্দী করে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার হিলসবরো কাউন্টির একটি আদালতের বিচারক লোগান মারফি এ আদেশ দেন।
শুনানির বিস্তারিত
এদিনের সংক্ষিপ্ত শুনানিতে বিচারক মারফি আসামি আবুঘরবেহকে সাক্ষী বা ভুক্তভোগীদের পরিবারের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ না করার নির্দেশও দিয়েছেন। টাম্পা বে ২৮-এর প্রতিনিধি জাডা উইলিয়ামস মঙ্গলবার শুনানি চলাকালে আদালতকক্ষে উপস্থিত ছিলেন। তিনি সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের টাম্পা ক্যাম্পাসেও গিয়েছিলেন। সেখানে শিক্ষার্থীরা নিজেদের দুই সহপাঠীকে এভাবে হারানোর দুঃখে এখনো শোকাচ্ছন্ন। ক্যাম্পাসের বাইরে বাসা ভাড়া করে থাকা নিয়েও তাঁরা চরম নিরাপত্তা উদ্বেগে ভুগছেন।
অভিযোগ ও সম্ভাব্য শাস্তি
আদালতের নথি অনুযায়ী, আবুঘরবেহর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ মাত্রার (ফার্স্ট ডিগ্রি) দুটি হত্যা, অস্ত্র রাখার অভিযোগসহ আরও কয়েকটি অভিযোগ আনা হয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হতে পারে, তবে আবুঘরবেহর সর্বোচ্চ শাস্তি (মৃত্যুদণ্ড) চাইবেন কি না, প্রসিকিউটররা তা এখনো জানাননি।
আদালতে অনুপস্থিতি
মঙ্গলবার সকালে হওয়া এ শুনানির সময় আবুঘরবেহ আদালতকক্ষে উপস্থিত ছিলেন না। পাবলিক ডিফেন্ডার জেনিফার স্প্র্যাডলি আগের দিন সোমবারই বলে দিয়েছিলেন, তাঁর দপ্তর এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করবে না।
আরও পড়ুন: লিমন-বৃষ্টি হত্যাকাণ্ড কীভাবে ঘটল, উঠে এল তদন্তকারীদের বর্ণনায়; ক্যাম্পাসের বাইরে বাসা ভাড়া নিয়ে আতঙ্কে সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা; আবুঘরবেহর বিরুদ্ধে অভিযোগ করার কারণেই কি খুন হতে হলো লিমনকে।



