যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে ইরানের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক আলোচনা তারা গণমাধ্যমের মাধ্যমে চালিয়ে যেতে আগ্রহী নয়। সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউসের সহকারী প্রেস সেক্রেটারি অলিভিয়া ওয়েলস বলেন, এগুলো অত্যন্ত স্পর্শকাতর কূটনৈতিক বিষয়, তাই যুক্তরাষ্ট্র সংবাদমাধ্যমের মধ্য দিয়ে কোনো দরকষাকষি করবে না।
মার্কিন অবস্থান পরিষ্কার
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থান অত্যন্ত পরিষ্কার—যুক্তরাষ্ট্র এই আলোচনার নাটাই নিজের হাতে রেখেছে। আমেরিকান জনগণের স্বার্থকে সবার আগে রেখে এবং ইরান যাতে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করেই কেবল কোনো চুক্তিতে পৌঁছাবে ওয়াশিংটন।
ইরানের ওপর চাপ
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্র দেশ ইসরাইল ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করার জন্য চাপ দিচ্ছে। তাদের দাবি, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, যদিও তেহরান শুরু থেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
ট্রাম্পের বক্তব্য
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়ায় ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামকে ‘নিউক্লিয়ার ডাস্ট’ বা পারমাণবিক ধূলিকণা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এবং এটি হস্তান্তরের দাবি জানিয়েছেন। যদিও এর আগে তিনি দাবি করেছিলেন, ১২ দিনের যুদ্ধের মাধ্যমে তিনি ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছেন।
ইরানের অনড় অবস্থান
অন্যদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলো সাফ জানিয়ে দিয়েছে, বর্তমানে যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলছে তাতে পারমাণবিক কোনো ইস্যু নিয়ে আলোচনার সুযোগ নেই। মূলত এই অনড় অবস্থানের মধ্যেই দুই দেশের গোপন ও স্পর্শকাতর আলোচনা এগিয়ে চলছে।
সূত্র: আলজাজিরা।



