নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত এক নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যাওয়ার সিদ্ধান্তে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভূমিকা ছিল চূড়ান্ত। হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে নেতানিয়াহু তার পুরো টিম নিয়ে উপস্থিত হয়ে ট্রাম্পকে যুদ্ধের পক্ষে বোঝান।
ইসরাইলের প্রভাব ও সংবাদমাধ্যমের নীরবতা
পশ্চিমা মূলধারার সংবাদমাধ্যম সাধারণত ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে ইসরাইলের ভূমিকা এড়িয়ে যায়। সাংবাদিক র্যাচেল ম্যাডোও তার অনুষ্ঠানে ইসরাইলের প্রভাবের পরিবর্তে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোকে দায়ী করেন। এই নির্বাচনী তথ্য উপস্থাপন প্রোপাগান্ডারই একটি রূপ।
স্ব-সেন্সরশিপ ও ইহুদি-বিদ্বেষের ভয়
অনেকে মনে করেন ইসরাইলের সমালোচনা ইহুদি-বিদ্বেষকে উস্কে দেবে। কিন্তু ইসরাইল রাষ্ট্র ও ইহুদি জনগোষ্ঠীকে এক করে ফেলা ভুল। এই ধারণা ইহুদি-বিদ্বেষী কুসংস্কারকেই শক্তিশালী করে। সংবাদমাধ্যমের নীরবতা আসলে ইসরাইলের অপরাধকে আড়াল করে, যা ইহুদিদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ বাড়ায়।
প্রোপাগান্ডার কৌশল
প্রোপাগান্ডা শুধু মিথ্যা বলা নয়; গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এড়িয়ে যাওয়াও এর অংশ। মার্কিন নীতিতে ইসরাইলের প্রভাব রাশিয়ার চেয়েও বেশি, কিন্তু সংবাদমাধ্যমে তা উপেক্ষিত। এই নীরবতা এক ধরনের দায়বদ্ধতার অংশীদারিত্ব তৈরি করে।
ইসরাইল বর্তমানে ফিলিস্তিন ও লেবাননে গণহত্যা চালাচ্ছে। এই কর্মকাণ্ডকে আড়াল করা ইহুদি-বিদ্বেষকে উৎসাহিত করে। যে সংবাদমাধ্যম শুধু আংশিক সত্য বলে, তারা আরও বেশি পরাধীন; কারণ অর্ধসত্যগুলো তাদের পরাধীনতার মুখোশ হিসেবে কাজ করে।



