ইরানের পরমাণু সংলাপ নয়, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করতেই আরাগচির পাকিস্তান সফর
ইরানের পরমাণু সংলাপ নয়, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কই লক্ষ্য

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচির পাকিস্তান সফরের সঙ্গে দেশটির পরমাণু প্রকল্প নিয়ে সংলাপের কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির প্রধান ইব্রাহিম আজিজি। শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানী তেহরানে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

পরমাণু ইস্যুতে সংলাপ নয়

ইব্রাহিম আজিজি বলেন, 'পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি পরমাণু প্রকল্প ইস্যুতে সংলাপের জন্য পাকিস্তানে যাননি। তার এই সফরে পরমাণু প্রকল্প সম্পর্কিত সংলাপের কোনো অ্যাসাইনমেন্ট নেই। তিনি সরকারি সফরে পাকিস্তানে গিয়েছেন এবং তার এ সফরের প্রধান উদ্দেশ্য পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ইস্যুগুলো নিয়ে আলোচনা করা এবং দুই দেশের পারস্পরিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় করা।'

সফরের বিস্তারিত

এর আগে, শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাতে একটি ছোট প্রতিনিধি দল নিয়ে পাকিস্তানে গিয়েছেন সৈয়দ আরাগচি। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান পাকিস্তানের সেনা ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আরাগচি ও তার নেতৃত্বে থাকা ইরানি প্রতিনিধিদলের আগমনকে ঘিরে ইসলামাবাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সেরেনা হোটেলে বৈঠক

এক প্রতিবেদনে এএফপি জানিয়েছে, ইসলামাবাদে অবতরণের পর আরাগচি ও তার নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা সোজা সেরেনা হোটেলে চলে যান; সেখানে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। সেই যুদ্ধ শুরুর ৪০ দিন পর, ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে। এরপর গত ১১ এপ্রিল এই সেরেনা হোটেলেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা প্রথম দফা সংলাপে বসেছিলেন। সূত্র: বিবিসি