মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের বিতর্কিত কার্যকালে পেন্টাগনে তীব্র অবিশ্বাস, গোপনীয়তা ও সামরিক নেতৃত্বের ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপের চিত্র উঠে এসেছে। সেনাপ্রধান জেনারেল র্যান্ডি জর্জকে আকস্মিকভাবে বরখাস্ত করা হয়, যেখানে হেগসেথ চারজন কর্নেলের পদোন্নতিও আটকে দিয়েছিলেন।
ভয়ের সংস্কৃতি ও গোপনীয়তা
হেগসেথের এই কর্মকাণ্ড সামরিক বাহিনীর অভ্যন্তরে ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি করেছে। ইরান সংক্রান্ত সামরিক পরিকল্পনা থেকে প্রধান কৌশলবিদদের দূরে রাখা হয়েছে, যা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলছে। এই গোপনীয়তা ও কেন্দ্রীভূত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলে পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমে বিভ্রান্তি ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে।
সামরিক নেতৃত্বে হস্তক্ষেপ
সেনাপ্রধান জেনারেল জর্জের বরখাস্ত এবং কর্নেলদের পদোন্নতি আটকে দেওয়া সামরিক নেতৃত্বের ওপর হেগসেথের সরাসরি হস্তক্ষেপের প্রমাণ। এই পদক্ষেপগুলি সামরিক শৃঙ্খলা ও ঐতিহ্যের পরিপন্থী বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের হস্তক্ষেপ দীর্ঘমেয়াদে সামরিক বাহিনীর দক্ষতা ও মনোবলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া
হেগসেথের নীতির কারণে পেন্টাগনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। অনেকে মনে করছেন, এই অবস্থা জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। ইরান সংক্রান্ত পরিকল্পনা থেকে কৌশলবিদদের বাদ দেওয়া বিশেষভাবে উদ্বেগজনক, কারণ এটি সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় প্রস্তুতি ও সমন্বয়কে দুর্বল করে দিচ্ছে।



