ভারতের পুশইন আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন: জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল
ভারতের পুশইন আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন: জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল অভিযোগ করেছে, ভারত আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করে বাংলাদেশে পুশইন করছে। সংগঠনটি এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে প্রতিবাদ জানাতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

বিবৃতিতে যা বলা হয়েছে

রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী ফয়জুল হাকিম ভারত কর্তৃক বাংলাভাষী ভারতীয়দের বাংলাদেশে পুশইনের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তিনি বলেন, এ ঘটনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের প্রতি ভারতীয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত হয়েছে।

বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ মুখে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের কথা বললেও বাস্তবে বাংলাদেশকে অধীনস্থ হিসেবে দেখতে চায়। তিনি অভিযোগ করেন, সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বাংলাদেশি নাগরিকদের গুলি করে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অভিযোগ ও দাবি

ফয়জুল হাকিম আরও বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জনগণ শেখ হাসিনার সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে। তার অভিযোগ, ভারত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছে এবং বাংলাদেশবিরোধী প্রচারণা অব্যাহত রেখেছে।

তিনি দাবি করেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার ও ক্ষমতাসীন বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ শাখা বাংলাদেশবিরোধী প্রচারণা চালিয়ে জনমনে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নেতিবাচক মনোভাব তৈরির চেষ্টা করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, পুশইন ও সীমান্ত হত্যা ভারতের সম্প্রসারণবাদী নীতির বহিঃপ্রকাশ। সংগঠনটির দাবি, ভারত যেসব ব্যক্তিকে পুশইন করছে, তাদের পরিচয় যাচাই ও নথিভুক্ত করলেও বাংলাদেশকে এ-সংক্রান্ত কোনো তথ্য সরবরাহ করছে না।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আন্তর্জাতিক প্রতিবাদের আহ্বান

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের পক্ষ থেকে বলা হয়, আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করে ভারত এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। তাই বাংলাদেশ সরকারকে পুশইনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মহলে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানানো এবং বিষয়টি আন্তর্জাতিক ফোরামে উত্থাপন করা উচিত।

বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নীরবতার সমালোচনা করে সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।