স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ রোববার জানিয়েছেন, আগামী চার দিনের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বেআইনি 'পুশ-ইন'সহ সীমান্ত নিরাপত্তার বিস্তৃত ইস্যু আলোচিত হবে। বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) এবং ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) মধ্যে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ৫৭তম ডিজি পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলনটি নয়াদিল্লিতে ৮ জুন থেকে ১১ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি দুই সীমান্ত বাহিনীর মধ্যে প্রথম বড় দ্বিপক্ষীয় সংলাপ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য
সচিবালয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী আহমেদ জোর দিয়ে বলেন, এই বৈঠকটি—যা প্রতি দুই বছর অন্তর উভয় দেশের মধ্যে পর্যায়ক্রমে অনুষ্ঠিত হয়—দ্বিপক্ষীয় উত্তেজনা মোকাবিলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। তিনি বলেন, 'সব প্রাসঙ্গিক সীমান্ত ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে। আমাদের সীমান্তরক্ষীরা যেকোনো পুশ-ইন প্রচেষ্টা প্রতিরোধে সতর্ক থাকলেও, আমরা বিশ্বাস করি এই বিষয়গুলো কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা ভালো।'
বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল
বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল ভারতের রাজধানীতে আলোচনায় অংশ নিতে যাবে। ভারতীয় পক্ষে বিএসএফের মহাপরিচালক এবং ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
আলোচনার বিষয়
এই আলোচনায় সীমান্ত সহিংসতা কমানো, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ সীমান্ত নিশ্চিতে দুই বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় উন্নয়নে মনোযোগ দেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে। মন্ত্রী আহমেদ আঞ্চলিক অখণ্ডতার বিষয়ে দৃঢ় অবস্থান বজায় রাখার পাশাপাশি কূটনৈতিক সমাধানের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।



