ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী খুব দ্রুত ঢাকায় আসছেন। শুক্রবার (৫ জুন) ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছ থেকে তিনি আনুষ্ঠানিক নিয়োগপত্র গ্রহণ করেছেন। ঢাকায় যোগদানের পর তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে এই পত্র আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করবেন। এই হস্তান্তরের মাধ্যমেই তিনি ঢাকায় তাঁর আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু করবেন।
দায়িত্ব গ্রহণ ও পটভূমি
ভারত সরকারের মনোনীত এই হাইকমিশনার শিগগিরই তাঁর দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন জানিয়েছে। ভারতের সাবেক রেলমন্ত্রী এবং ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জ্যেষ্ঠ নেতা দীনেশ ত্রিবেদীকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ৭৫ বছর বয়সী ত্রিবেদী ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সাবেক রেলমন্ত্রী। মনমোহন সিংয়ের মন্ত্রিসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন।
রাজনৈতিক জীবন
২০১২ সালে রেল বাজেট পেশ করার সময় যাত্রী ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়ে তিনি দলীয় নেতৃত্বের তোপের মুখে পড়েন এবং পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। এছাড়া তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও কাজ করেছেন। দীনেশ ত্রিবেদী লোকসভা ও রাজ্যসভা উভয় কক্ষেরই সদস্য ছিলেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গ থেকে লোকসভার সদস্য এবং গুজরাট থেকে রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি তৃণমূল কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করেন এবং পরের মাসেই বিজেপিতে যোগ দেন।
কূটনৈতিক নিয়োগের তাৎপর্য
দীর্ঘদিন ধরে পেশাদার কূটনীতিকদের মাধ্যমেই প্রতিবেশী দেশগুলোতে দূত পাঠিয়ে আসছে ভারত। তিন দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো প্রতিবেশী কোনও দেশে রাজনৈতিক নিয়োগ দিয়েছে ভারত সরকার। এই নিয়োগকে কূটনৈতিক ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।



