পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ জানিয়েছেন, দেশটি খুব শিগগিরই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরবর্তী দফার বৈঠক আয়োজন করতে সক্ষম হবে। ইসলামাবাদ দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সামাজিক মাধ্যমে আশাবাদ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে শাহবাজ শরিফ লেখেন, ‘পাকিস্তান সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে এবং আমরা আশা করছি খুব দ্রুতই পরবর্তী দফার আলোচনা আয়োজন করতে পারব।’ এই পোস্টে তিনি পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকার ওপর জোর দেন।
কূটনৈতিক প্রচেষ্টা
ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ সহজ করতে পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। উভয় পক্ষই চলমান সংঘাতের একটি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজছে। পাকিস্তানের এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসিত হচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্য
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধ বন্ধে চলমান যুদ্ধবিরতি আলোচনায় একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনেকটাই চূড়ান্ত হয়েছে। ট্রাম্প আরও বলেন, এই চুক্তির আওতায় হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া হবে। তবে তিনি জানান, এটি এখনও যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দেশের আলোচকদের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
শাহবাজ শরিফের এই আশাবাদ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের উন্নতির সম্ভাবনা বাড়িয়েছে। পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে এই দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতা করে আসছে এবং সম্প্রতি তাদের প্রচেষ্টা কিছুটা সাফল্য পেয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়টি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পাকিস্তানের এই ভূমিকা শুধু ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার জন্যও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। শাহবাজ শরিফের নেতৃত্বে পাকিস্তান আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে চায় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।



