ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে সেপ্টেম্বরে ভারতে আসছেন পুতিন
ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন পুতিন

আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়া দিল্লি সফর করবেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মঙ্গলবার (১৯ মে) ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পুতিনের এই ভারত সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এ খবর জানিয়েছে।

কৌশলগত সহযোগিতার নতুন অধ্যায়

ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে ক্রমাগত গভীর হতে থাকা কৌশলগত ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার পটভূমিতে পুতিনের এই সফর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এটি এক বছরের মধ্যে রুশ প্রেসিডেন্টের দ্বিতীয় ভারত সফর, যা দুই দেশের মধ্যকার উচ্চ পর্যায়ের সুদৃঢ় কূটনৈতিক ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও একবার সামনে নিয়ে এসেছে।

পূর্ববর্তী সফর ও বার্ষিক সম্মেলন

এর আগে, গত ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ২৩তম ভারত-রাশিয়া বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে নয়া দিল্লি সফর করেছিলেন পুতিন। সেই সফরে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে তাঁর পুঙ্খানুপুঙ্খ ও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছিল।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে একটি নিয়মিত বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন প্রক্রিয়া চালু রয়েছে, যার অধীনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পর্যায়ক্রমে দুই দেশে মিলিত হয়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পুরো বিষয়টির পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা করেন। এ পর্যন্ত দুই দেশে পর্যায়ক্রমে এমন ২৩টি শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের বৈঠকটি ছিল অত্যন্ত তাৎর্যপূর্ণ; কারণ ২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সেটিই ছিল প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রথম ভারত সফর। এর আগে, তিনি সর্বশেষ ২০২১ সালে নয়া দিল্লি সফর করেছিলেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মাত্র কয়েক দিন আগেই রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ ব্রিকস পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের একটি উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে নয়া দিল্লি সফর করেছিলেন। ১৪ ও ১৫ মে অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের এজেন্ডা

নয়া দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আগামী সেপ্টেম্বর মাসের এই ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে মূলত বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং একটি বহুমুখী বিশ্বব্যবস্থা শক্তিশালী করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।