ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ‘গোপন সফর’ ও প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে বৈঠকের দাবি নাকচ করে দিয়েছে আবুধাবি। যদিও নেতানিয়াহুর দফতর জানিয়েছে, তিনি যুদ্ধের সময় গোপনে আমিরাত সফর করে দেশটির প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দফতরের ঘোষণা
বুধবার ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়, যুদ্ধ চলাকালে নেতানিয়াহু সংযুক্ত আরব আমিরাতে একটি গোপন সফর করেছেন। সেখানে তিনি আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এই সফরকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক ‘ঐতিহাসিক মাইলফলক’ হিসেবেও বর্ণনা করেছে নেতানিয়াহুর দফতর।
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের মন্তব্য
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার ঠিক একদিন আগে দেশটিতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি জানিয়েছিলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের সময় ইসরায়েল তাদের আয়রন ডোম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং তা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাঠিয়েছিল। নেতানিয়াহুর দফতর হাকাবির এই মন্তব্য সরাসরি নিশ্চিত না করলেও আমিরাত সফরের বিষয়টি সামনে আনে।
আমিরাতের অবস্থান
তবে ইসরায়েলের এই দাবি সরাসরি অস্বীকার করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কথিত সফর কিংবা কোনও ইসরায়েলি সামরিক প্রতিনিধি দলকে দেশে গ্রহণ করার বিষয়ে প্রচারিত খবরগুলো আমিরাত অস্বীকার করছে।
বিবৃতিতে কোনও নির্দিষ্ট নেতার নাম সরাসরি উল্লেখ করে অস্বীকার না করলেও, তারা এই সফর সংক্রান্ত ‘প্রতিবেদনগুলো’ নাকচ করে দিয়েছে। মূলত ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে সফরের ঘোষণা আসার পরপরই আবুধাবি তাদের এই অবস্থানের কথা জানালো।



