রেকর্ড বৃষ্টিতে চট্টগ্রামের অনেক এলাকা তলিয়ে গেছে। প্রধান সড়কগুলোতে দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। অতিবর্ষণে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিয়ে জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনা হয়েছে। চট্টগ্রামের তিনজন সংসদ সদস্য চট্টগ্রামের অবস্থা তুলে ধরেন।
জামায়াত এমপির বক্তব্য
জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বলেছেন, পুরো চট্টগ্রাম আজ পানিতে ভাসছে। আজ বুধবার জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। বিরোধী দলের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে পরে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, কয়েক দিন যাবৎ বৃহত্তর চট্টগ্রাম ও পাহাড়ি অঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ায় প্লাবিত হয়েছে।
ত্রাণ বরাদ্দের ঘোষণা
গতকাল বুধবার প্রতিটি জেলায় ২০০ মেট্রিক টন চাল ও ১০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কিছু প্যাকেটজাত শুকনো খাবার বিতরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসকেরা সংসদ সদস্যদের পরামর্শক্রমে বিতরণ করবেন।
এমপি সরওয়ার জামালের বক্তব্য
এর আগে চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম বলেন, গত চার দিনের বৃষ্টিতে তাঁর নির্বাচনী এলাকার আনোয়ারা ও কর্ণফুলী সয়লাব হয়ে গেছে। মানুষের অবস্থা খুব খারাপ।
শাহজাহান চৌধুরীর উদ্বেগ
চট্টগ্রাম–১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বলেন, ‘বিশেষ করে তাঁর লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, বাঁশখালী, চন্দনাইশ, পটিয়া, আনোয়ারা, কর্ণফুলী এবং মাননীয় অর্থমন্ত্রীর এলাকার মানুষ পানিতে ভাসছে। মানুষের অসম্ভব কষ্ট হচ্ছে। এমন অবস্থায় নারী, শিশু, বৃদ্ধসহ অসহায় মানুষকে শুকনো খাবার দেওয়ার জন্য; যেখানে নদী ভেঙেছে, সেখানে অতিদ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের কাছে আরজিটা তুলে ধরেছি।’
জহিরুল ইসলামের মন্তব্য
চট্টগ্রাম–১৬ আসনের সংসদ সদস্য জহিরুল ইসলাম বলেন, জলাবদ্ধতা দূরীকরণে ২০১৭ সালে চট্টগ্রাম মহানগরীর নিয়ে প্রকল্প গৃহীত হয়েছিল। কিন্তু ৯ বছর পরেও এখনো জলাবদ্ধতা যাচ্ছে না। দুঃখজনক হচ্ছে, ওখানে সমন্বয়হীনতা বেশি কাজ করে। সমস্যার সমাধানে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় ও প্রকৌশল বিভাগকে সমন্বিতভাবে কাজ করার অনুরোধ করেন তিনি।



