চিন্ময় দাসের মুক্তির বিষয়ে সংস্কৃতিমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি ও ঐক্যের বার্তা
চিন্ময় দাসের মুক্তিতে সংস্কৃতিমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি

চিন্ময় দাসের মুক্তির বিষয়ে সংস্কৃতিমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি ও ঐক্যের বার্তা

বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় দাসের মুক্তির বিষয়ে কথা বলেছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি শুক্রবার (১৭ এপ্রিল ২০২৬) রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে ‘মহানগর পরিবার দিবস-২০২৬’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি।

মন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি ও সরকারি নীতি

সংস্কৃতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, চিন্ময়ের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ ছিল যে তাকে এভাবে আটক রাখা হয়েছে- বিষয়টি নিয়ে আমি যথাযথ জায়গায় আজ-কালের মধ্যেই কথা বলব। তার দ্রুত মুক্তির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। তিনি আরও যোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন- দেশে কোনো ধরনের বৈষম্য থাকবে না। রাজনৈতিক মতাদর্শ, ধর্ম ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকা স্বাভাবিক হলেও এসব বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠাই সরকারের মূল লক্ষ্য। এটাই সরকারের নীতি এবং সেই নীতিতেই আমরা কাজ করছি।

সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য সংরক্ষণের উদ্যোগ

সংস্কৃতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে পাহাড়ি জনগোষ্ঠী, সমতলের বিভিন্ন জনগোষ্ঠী, উপজাতি, জাতিসত্তা ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীসহ নানা সম্প্রদায় রয়েছে। এসব জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় কাজ করছে এবং প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান চালাচ্ছে। এছাড়া, তিনি ঢাকেশ্বরী মন্দিরকে প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্বসম্পন্ন স্থাপনার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেন, যা ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ

মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি জয়ন্ত কুমার দেবের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম
  • ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য মো. হামিদুর রহমান
  • বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর
  • সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা
  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ দেবাশীষ পাল
  • মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ড. তাপস চন্দ্র পালসহ অনেকে

এই অনুষ্ঠানটি সরকারের বৈষম্য বিরোধী নীতি ও সাংস্কৃতিক ঐক্য প্রতিষ্ঠার প্রতিফলন হিসেবে দেখা যাচ্ছে, যা দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।