ব্যাংক ও বিশ্ববিদ্যালয়ে দলীয় নিয়োগের তীব্র সমালোচনা করলেন রুমিন ফারহানা
ব্যাংক-বিশ্ববিদ্যালয়ে দলীয় নিয়োগের সমালোচনা রুমিন ফারহানার

ব্যাংক ও বিশ্ববিদ্যালয়ে দলীয় নিয়োগের তীব্র সমালোচনা করলেন রুমিন ফারহানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা ব্যাংক ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগকে দুর্ভাগ্যজনক বলে অভিহিত করেছেন। মঙ্গলবার সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সাথে তুলনা

রুমিন ফারহানা তার বক্তব্যে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ প্রক্রিয়ার উদাহরণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রিন্সটন বা ক্যালিফোর্নিয়ার মতো সেরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডিধারী অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা নিয়োগ পান। অথচ আমাদের দেশে নিয়োগ পাচ্ছেন রাজনৈতিক বিবেচনায়।

নতুন সরকারের আমলে নিয়োগের সমালোচনা

নতুন সরকার গঠনের পর বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্য নিয়োগের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকে নিয়োগ পেয়েছেন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য এবং একটি সোয়েটার কারখানার এমডি। একই ঘটনা আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রেও দেখেছি। সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ে দলীয় ভিসি-প্রোভিসি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি আরও যোগ করেন, দল করা দোষের কিছু নয়, কিন্তু দল না করলে যদি নিয়োগ না হয়, তবে সেটা দুর্ভাগ্যজনক।

রাষ্ট্রপতির ভাষণের প্রসঙ্গ

রাষ্ট্রপতির ভাষণের একটি অংশের প্রসঙ্গ টেনে রুমিন ফারহানা বলেন, রাষ্ট্রপতির ভাষণে উঠে এসেছে অলিগার্কিক কাঠামো ভেঙে বিনিয়োগনির্ভর কাঠামো তৈরি করার কথা। আমি আশা করব, আগামীতে সালমানের জায়গায় সাইফুল এসে বসবে না।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের প্রসঙ্গ

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পাওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাকে মনোনয়ন না দেওয়ার জন্য বিএনপিকে ধন্যবাদ। তা না হলে আমি বুঝতে পারতাম না, টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত লাখ লাখ মানুষ আমাকে এতটা ভালোবাসে।

সংসদ সদস্যের এই বক্তব্য ব্যাংক ও বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে চলমান বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।