জাতীয় সংসদে পাশ হলো আরপিও সংশোধনী বিল, নির্বাচনী কার্যক্রমে নতুন মাত্রা
জাতীয় সংসদে সোমবার (৬ এপ্রিল ২০২৬) 'রিপ্রেজেন্টেশন অব দি পিপল (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল-২০২৬' পাশ করা হয়েছে। এই বিল পাশের মাধ্যমে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম আরও সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে আইনি কাঠামো শক্তিশালী করা হলো। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান বিলটি সংসদে উপস্থাপন করেন এবং কণ্ঠভোটে এটি অনুমোদন লাভ করে।
আরপিওর গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদে সংশোধন
বিলটির মাধ্যমে রিপ্রেজেন্টেশন অব দি পিপল অর্ডার (আরপিও) ১৯৭২-এর ২৭, ৩৭, ৩৯, ৮৯ ও ৯১ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়েছে। এই সংশোধনী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা একটি অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তরিত করেছে। পূর্ববর্তী সরকার পোস্টাল ব্যালট পেপার সংক্রান্ত বিষয় আরও স্পষ্ট করতে এবং নির্বাচনী নিরাপত্তা জোরদারের জন্য এই অধ্যাদেশ জারি করেছিল, যা এখন আইনি স্বীকৃতি পেয়েছে।
সংসদীয় প্রক্রিয়া ও বিরোধী দলের ভূমিকা
স্পিকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে বিলটি উত্থাপনের পর বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান একটি শব্দের অস্পষ্টতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এ বিষয়ে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ও আইনমন্ত্রীর মধ্যে সংক্ষিপ্ত আলোচনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত বিলটি বাধাহীনভাবে পাশ হয়। আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান উল্লেখ করেন যে, নির্বাচনী কার্যক্রম সুবিধাজনক করতে ২০২৫ সালে দুটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল, যা সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে উপস্থাপন করা হয়েছিল।
এই সংশোধনী বিল পাশের ফলে বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিচ্ছেন। এটি ভোটারদের অধিকার রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।



