সংসদ সদস্যদের ঋণ ১১ হাজার কোটি টাকা, খেলাপি ৩৩০০ কোটি: অর্থমন্ত্রী
এমপিদের ঋণ ১১ হাজার কোটি, খেলাপি ৩৩০০ কোটি

সংসদ সদস্যদের ঋণ ১১ হাজার কোটি টাকা, খেলাপি ৩৩০০ কোটি: অর্থমন্ত্রী

বর্তমান সংসদ সদস্য (এমপি) এবং তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ১১৭ কোটি ৩১ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৩ হাজার ৩৩০ কোটি ৮ লাখ টাকা খেলাপি ঋণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের নবম দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য সংসদে জানান। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কাইসার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশনটি পরিচালিত হয়।

প্রশ্নোত্তরে ঋণের বিস্তারিত তথ্য

কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাতের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমানে সংসদ সদস্য এবং তাদের মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে দেশের ব্যাংক ও ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলো থেকে নেওয়া মোট ঋণের স্থিতি ১১ হাজার ১১৭ কোটি ৩১ লাখ টাকা। এই ঋণের একটি বড় অংশই বর্তমানে খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত। অর্থমন্ত্রী সংসদকে জানান, উল্লিখিত ঋণের মধ্যে ৩ হাজার ৩৩০ কোটি ৮ লাখ টাকা খেলাপি।

খেলাপি ঋণের আইনি মারপ্যাঁচ

তবে তিনি বিশেষ দ্রষ্টব্য হিসেবে উল্লেখ করেন যে, আদালতের নির্দেশনা বা স্থগিতাদেশের কারণে এই খেলাপি ঋণের একটি অংশ নিয়মিত ঋণ হিসেবে দেখানো হতে পারে, যা আইনি মারপ্যাঁচে খেলাপি তালিকার বাইরে ছিল। অর্থমন্ত্রী আরও ব্যাখ্যা করেন যে, এই পরিস্থিতি ব্যাংকিং খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে। সংসদ সদস্যদের ঋণ ব্যবস্থাপনা এবং খেলাপি ঋণের হার নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, যা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণ ও তদারকির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে সরকারের আর্থিক নীতির স্বচ্ছতা এবং সংসদ সদস্যদের আর্থিক দায়বদ্ধতার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। অর্থমন্ত্রীর এই বিবৃতি সংসদে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সূত্রপাত করেছে, যা ভবিষ্যতে ঋণ ব্যবস্থাপনা ও আইনি প্রক্রিয়ার উন্নয়নের দিকে নজর দিতে পারে।