জাতীয় সংসদের সরকারি দলের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মণি বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে অন্য কোনো দল সরকারে এলে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া কোনো উপায় ছিল না। শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘নারী স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যাবহার আইন শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক নীতি সংলাপে অংশ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।
জ্বালানি তেলের দাম ও সরবরাহ পরিস্থিতি
চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মণি উল্লেখ করেন, সমগ্র পৃথিবীতে জ্বালানি তেলের দাম ব্যাপকভাবে বেড়েছে, কিন্তু বাংলাদেশে সরকার সেটি বাড়ায়নি। তিনি বলেন, ‘অন্যকোনো দল সরকারে এলে দাম বাড়ানো ছাড়া কোনো উপায় ছিল না।’ তিনি আরও জানান, প্রয়োজনের চেয়ে দ্বিগুণ জ্বালানি সরবরাহ করেও পরিস্থিতি সামলানো কঠিন হচ্ছে।
মজুত ও আসন্ন তেলের পরিমাণ
তিনি বলেন, ‘দুই লাখ মেট্রিকটন তেল মজুত রয়েছে এবং আরও দুই লাখ তেল আসছে।’ তবে তিনি মিডিয়া কভারেজের সমালোচনা করে বলেন, ‘পত্রিকা খুললে ১০টার মধ্যে ৯টিই নেতিবাচক খবর দেখা যায়, ইতিবাচক খবর নেই।’
ধূমপান নিয়ন্ত্রণ ও নারী স্বাস্থ্য সুরক্ষা
নুরুল ইসলাম মণি ধূমপান নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘একজন ধূমপান করলে ১০ জন আক্রান্ত হন। মানব সম্পদ ছাড়া আমাদের কোনো সম্পদই নাই, তাই মানুষগুলোকে বাঁচাতে হলে সিগারেটের ব্যবহার কমাতে হবে।’ তিনি ই-সিগারেটের বিষয়েও সতর্ক করে বলেন, নেতিবাচক প্রচারণার মাধ্যমে পরোক্ষভাবে এর বিস্তৃতি বাড়ানো হচ্ছে।
সমাধানের পথ
তিনি বলেন, ‘সভা সেমিনারের চেয়ে দায়িত্বশীলদের কাছে বার্তা পৌঁছে সমাধান করতে হবে।’ এছাড়া তিনি দাবি করেন, বিএনপি সরকার অনেক আগেই তামাকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে প্রচার ও বিপণন বন্ধে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে।
এই সংলাপে নারী স্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালীকরণের ওপর জোর দেওয়া হয়, যা সামগ্রিক জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।



