ভোট গণনায় কারচুপির অভিযোগে বাগেরহাট-২ আসনের নির্বাচনি নথি ইসিকে হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের
বাগেরহাট-২ আসনের নির্বাচনি নথি ইসিকে হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

ভোট গণনায় কারচুপির অভিযোগে বাগেরহাট-২ আসনের নির্বাচনি নথি ইসিকে হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-২ আসনের ব্যালট-রেজাল্টশিট ও নির্বাচনি নথি নির্বাচন কমিশনের হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এই আসনের অপর প্রার্থীদের নোটিশ ইস্যু করেছেন আদালত। ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে ওই আসনের বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেনের মামলা শুনানির জন্য গ্রহণ করে বুধবার (১ এপ্রিল) বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বাধীন একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

নির্বাচনি ফলাফল ও মামলার পটভূমি

এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-২ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী শেখ মনজুরুল হক রাহাদ ১ লাখ ১৭ হাজার ৭০৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। এই আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৪০৯ ভোট। পরে ওই ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন।

হাইকোর্টের আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ভোট গণনায় কারচুপির অভিযোগের ভিত্তিতে নির্বাচনি নথি সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনকে অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট নথি ও রেজাল্টশিট হেফাজতে নিতে হবে। এছাড়া, অন্যান্য প্রার্থীদের নোটিশ ইস্যু করে তাদের বক্তব্য গ্রহণের জন্য সময় দেওয়া হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আদালতের শুনানি ও পরবর্তী পদক্ষেপ

বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর বেঞ্চ মামলাটি শুনানির জন্য গ্রহণ করে এবং প্রাথমিক শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছে। আদালতের এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন। ভোট কারচুপির অভিযোগে এ ধরনের মামলা দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিএনপি প্রার্থীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, ভোট গণনায় অনিয়ম ও কারচুপির মাধ্যমে ফলাফল প্রভাবিত করা হয়েছে। অপরদিকে, নির্বাচিত প্রার্থীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনো জানা যায়নি। হাইকোর্টের এই আদেশ নির্বাচনি বিরোধ নিষ্পত্তির দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।