নড়িয়ায় নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ, বাড়িঘরে হামলা ও লুটপাট
নড়িয়ায় নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা: শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ

নড়িয়ায় নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ও বাড়িঘরে হামলা

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটেছে, পাশাপাশি বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন এবং পুলিশ অভিযান চালিয়ে এখন পর্যন্ত ৬ জনকে আটক করেছে।

ঘটনার পটভূমি ও সংঘর্ষের সূত্রপাত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনগর জামেউল উলুম দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে পূর্ব থেকে বিরোধ ছিল। এর জের ধরে রোববার (২২ মার্চ) বিকালে বিএনপি সমর্থক হাফিজ ভূইয়ার ছেলে সাব্বিরকে মারধরের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর সোমবার ভোররাতে উভয় পক্ষ ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

হামলা ও লুটপাটের বিস্তারিত বিবরণ

সংঘর্ষ চলাকালে অন্তত ২০টি বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, নির্বাচনে বিএনপির পক্ষে কাজ করায় তাদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করা হয়েছে। আহতদের নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিবাদমান পক্ষের বক্তব্য ও পুলিশের পদক্ষেপ

প্রতিপক্ষ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে এবং বিএনপি সমর্থকরাই এলাকায় অরাজকতা সৃষ্টি করেছে। নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাহার মিয়া জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৬ জনকে আটক করা হয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ