জাতীয় সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে প্রণীত মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই ও পর্যালোচনার জন্য একটি বিশেষ কমিটিতে প্রেরণ করা হয়েছে। কমিটিকে ২ এপ্রিলের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আইনমন্ত্রীর প্রস্তাব ও সংসদীয় সিদ্ধান্ত
রবিবার ১৩তম জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান অধ্যাদেশগুলো কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে মন্ত্রী বলেন, "আমরা সংসদে ১৩৩টি অধ্যাদেশ উপস্থাপন করেছি। প্রথম অধিবেশনে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছিল। আমি অনুরোধ করছি যে এই অধ্যাদেশগুলো পর্যালোচনার জন্য কমিটিতে প্রেরণ করা হোক এবং কমিটি ২ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিক।"
কণ্ঠভোটে সর্বসম্মত অনুমোদন
স্পিকার আসাদুজ্জামানের প্রস্তাবটি কণ্ঠভোটে উত্থাপন করলে তা সর্বসম্মতভাবে পাস হয়। অনুমোদনের পর অধ্যাদেশগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে বিশেষ কমিটিতে প্রেরণ করা হয়।
এর আগে, ১২ মার্চ ১৩তম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে মন্ত্রী আসাদুজ্জামান তত্ত্বাবধায়ক সরকার কর্তৃক প্রণীত ১৩৩টি অধ্যাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করেছিলেন।
এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংসদ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে প্রণীত আইনগত দলিলগুলোর বৈধতা ও প্রাসঙ্গিকতা যাচাই করতে চাইছে। বিশেষ কমিটি অধ্যাদেশগুলোর প্রতিটি ধারা ও প্রভাব গভীরভাবে পরীক্ষা করে একটি সুস্পষ্ট প্রতিবেদন প্রস্তুত করবে।
জাতীয় সংসদের এই পদক্ষেপ আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন সংসদে আলোচনার ভিত্তি তৈরি করবে এবং ভবিষ্যত আইন প্রণয়নে দিকনির্দেশনা দিতে পারে।
