ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন: ঢাকায় বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা জারি করেছে ডিএমপি
ত্রয়োদশ সংসদ অধিবেশনে ঢাকায় বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা

ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন: ঢাকায় বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা জারি করেছে ডিএমপি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি হিসেবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) রাজধানীর সংসদ ভবন এলাকা ও আশপাশের সড়কে বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

যানজট এড়াতে ডাইভারশন কার্যকর

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় সংসদের অধিবেশন উপলক্ষ্যে সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, বিদেশি কূটনীতিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিদের যাতায়াত বৃদ্ধি পাবে। ফলে উড়োজাহাজ মোড়, খেজুর বাগান, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, আসাদগেট এবং জুলাই স্মৃতি জাদুঘর (গণভবন) ক্রসিং এলাকায় স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি যানবাহন চলাচল করবে। এই পরিস্থিতিতে যানজট পরিহার করতে ট্রাফিক বিভাগ সকাল ৮টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত নির্দিষ্ট কিছু সড়কে ডাইভারশন কার্যকর করবে।

ডাইভারশন ও বিকল্প সড়কের বিবরণ

ডিএমপি কর্তৃক ঘোষিত ডাইভারশন ও বিকল্প সড়কগুলো নিম্নরূপ:

  • ইন্দিরা রোড-বেগম রোকেয়া সরণি: ইন্দিরা রোড থেকে উড়োজাহাজ মোড় হয়ে বেগম রোকেয়া সরণির দিকে যাওয়া যানবাহন ডানে মোড় নিতে পারবে না। এসব যানবাহনকে সোজা মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ হয়ে মিরপুর রোড দিয়ে গন্তব্যে যেতে হবে।
  • মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ-বেগম রোকেয়া সরণি: মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে খেজুর বাগান হয়ে বেগম রোকেয়া সরণিগামী যানবাহন বামে মোড় না নিয়ে ফার্মগেট হয়ে গন্তব্যে যেতে হবে।

এছাড়া, উড়োজাহাজ মোড় থেকে খেজুর বাগান পর্যন্ত সড়কের উভয় পাশে দক্ষিণমুখী একমুখী যান চলাচল চালু থাকবে। এই ব্যবস্থা ট্রাফিক প্রবাহকে সুসংহত রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ নগরবাসীকে যানজট এড়াতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব নির্দেশনা অনুসরণ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে। পুলিশ কর্তৃপক্ষ সবার সহযোগিতা কামনা করে বলেছে, এই ব্যবস্থা সংসদ অধিবেশনের সময় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আরও দক্ষ ও নির্বিঘ্ন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। নাগরিকদের সচেতনতা ও সহযোগিতার মাধ্যমে রাজধানীর যানজট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।