জাতীয় পুরস্কার কমিটি পুনর্গঠন: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের শক্তিশালী দল
জাতীয় পুরস্কার কমিটি পুনর্গঠন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আহ্বায়ক

জাতীয় পুরস্কার কমিটি পুনর্গঠন: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে নতুন দল গঠন

সরকারি গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে জাতীয় পুরস্কার সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির মূল লক্ষ্য হলো জাতীয় পুরস্কার প্রদানের জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত প্রস্তাবসমূহ যাচাই-বাছাই করা এবং সুপারিশ প্রদান করা। ১০ সদস্যবিশিষ্ট এই শক্তিশালী কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

কমিটির গঠন ও সদস্যবৃন্দ

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কমিটি বিষয়ক অধিশাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনটি বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়। অতিরিক্ত সচিব (কমিটি ও অর্থনৈতিক) মো. হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত এই প্রজ্ঞাপনে কমিটির সদস্যদের তালিকা উল্লেখ করা হয়েছে।

  • স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
  • সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী
  • শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির
  • তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন
  • পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি
  • দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু

এছাড়াও, সদস্য হিসেবে রয়েছেন রেলপথ এবং নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীরাও পদাধিকারবলে এই কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

কমিটির কার্যক্রম ও সহায়তা

কমিটিকে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও কারিগরি সহায়তা দিতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবসহ স্বরাষ্ট্র, অর্থ, তথ্য, বাণিজ্য, সংস্কৃতি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বা সিনিয়র সচিবগণ থাকবেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে এবং সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবে।

কমিটির প্রধান তিনটি কাজ

  1. জাতীয় পুরস্কার প্রদানের লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা বিভাগ থেকে পাওয়া প্রস্তাবসমূহ পরীক্ষা করা।
  2. বিভিন্ন জাতীয় পুরস্কারের ক্রম নির্ধারণ এবং প্রয়োজনে পরিবর্তনের জন্য সুপারিশ প্রদান।
  3. নতুন কোনো জাতীয় পুরস্কার প্রবর্তনের প্রস্তাব পরীক্ষা করা এবং সে বিষয়ে সরকারের কাছে সুপারিশ পেশ করা।

এই কমিটি গঠনের ফলে ২০২৪ সালের ২ অক্টোবর তারিখে জারি করা আগের প্রজ্ঞাপনটি বাতিল বলে গণ্য হবে। প্রজ্ঞাপনটি অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে।