প্রধান শিক্ষকের ওপর হামলার ঘটনায় যুবদল নেতাকে বহিষ্কার
প্রধান শিক্ষকের ওপর হামলায় যুবদল নেতা বহিষ্কার

প্রধান শিক্ষকের ওপর হামলার ঘটনায় যুবদল নেতাকে বহিষ্কার

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ভোজেশ্বর ইউনিয়নের বিঝারী উপসী তারা প্রসন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল আমীন রতনের ওপর হামলার ঘটনায় ভোজেশ্বর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মিজানুর রহমান শিকদারকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি। বুধবার দুপুরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভুঁইয়া স্বাক্ষরিত বহিষ্কার আদেশ দেওয়া হয় এবং এটি যুবদলের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে আপলোড করা হয়।

বহিষ্কারের কারণ ও সিদ্ধান্ত

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পেশিশক্তি দেখিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির সুস্পষ্ট অভিযোগে মিজানুর রহমান শিকদারকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপি ইতোমধ্যে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বহিষ্কৃত নেতাদের অপকর্মের দায় সংগঠন নেবে না এবং যুবদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তাদের সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হামলার ঘটনার বিবরণ

ভুক্তভোগী, প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে বিদ্যালয় থেকে অটোরিকশাযোগে বাড়ি ফেরার পথে হামলার শিকার হন উপজেলার শতবর্ষী বিদ্যাপীঠ বিঝারী উপসী তারা প্রসন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল আমীন রতন। এতে তার ডান হাত ভেঙে যায়। বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে এ হামলার অভিযোগ উঠে উপজেলা যুবদলের সভাপতি ওয়াহিদুজ্জামান নিক্সন খান ও ভোজেশ্বর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মিজানুর রহমান শিকদার ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে।

স্থানীয় নেতার প্রতিক্রিয়া

বহিষ্কারের বিষয়ে জানতে চাইলে নড়িয়া উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান খোকন বলেন, তিনি বহিষ্কারের বিষয়ে অবগত নন এবং এ ব্যাপারে কোনো চিঠি পাননি। এই মন্তব্য স্থানীয় পর্যায়ে সিদ্ধান্তের প্রভাব ও যোগাযোগের বিষয়টি তুলে ধরে।

এই ঘটনা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক সংগঠনের শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে, যা সামাজিকভাবে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।