দিনাজপুর-৩ আসনের এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমের দাবি: মিথ্যা মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছিল
দিনাজপুর-৩ এমপির দাবি: মিথ্যা মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছিল

দিনাজপুর-৩ আসনের এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমের দাবি: মিথ্যা মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছিল

দিনাজপুর-৩ (সদর) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম দাবি করেছেন, দিনাজপুর পৌরসভার টানা তিনবারের মেয়র থাকার পর নানা ‘মিথ্যা মামলা’ দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। আজ শনিবার দুপুরে দিনাজপুর শহরের ঘাষিপাড়া এলাকায় জেলা বিএনপি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

মাত্র দেড় কেজি চাল চুরির মামলার উল্লেখ

সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ‘মাত্র দেড় কেজি চাল চুরিসহ নানা মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছিল। আজকে আমাকে মেয়র থেকে এমপি বানিয়েছেন। আমার অনেক দায়িত্ব। জেলার রাস্তাঘাট সংস্কারের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে কর্তব্যকাজ শুরু করব।’

সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান, নারীর ক্ষমতায়নসহ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আটটি পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। দিনাজপুরের উন্নয়নেও বাস্তবসম্মত ও সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে।

জেলার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা

সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমের দাবি অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড, মেডিক্যাল কলেজ, জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনসহ জেলার গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো বিএনপি সরকারের সময় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি জেলার উন্নয়নের জন্য নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন:

  • জেলায় ভারী শিল্পকারখানার অভাব দূর করা
  • একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা
  • গুরুত্বপূর্ণ সড়ক চার লেনে উন্নীত করা
  • মাদক প্রতিরোধ জোরদার করা
  • হাসকিং মিল আধুনিকায়ন করা
  • গোর-এ-শহীদ বড় মাঠের মালিকানা-সংক্রান্ত জটিলতা সমাধান করা

দুর্নীতি দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অঙ্গীকার

এই সংসদ সদস্য আরও জানান, তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করে সরকারি-বেসরকারি সব ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেছেন। পাশাপাশি টেন্ডার বাণিজ্য ও চাঁদাবাজি দমনেও তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম, খালেকুজ্জামান, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তফা কামাল মিলন, শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি আবু বক্বর সিদ্দিক, ছাত্রদলের আহ্বায়ক রুবেল ইসলাম প্রমুখ।