রমজানের দ্বিতীয় দিনে প্রেসক্লাবে মন্ত্রীদের ইফতার অনুষ্ঠান
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রমজানের দ্বিতীয় দিনে জাতীয় প্রেসক্লাব আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন। এই বিশেষ অনুষ্ঠানে মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেনও উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রীদের এই অংশগ্রহণ সাংবাদিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সরকারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মন্ত্রীদের বক্তব্য ও সরকারি প্রতিশ্রুতি
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন তার বক্তব্যে বলেন, প্রেসক্লাব দেশের সাংবাদিকদের একটি গুরুত্বপূর্ণ মিলন কেন্দ্র। তিনি রমজানের পবিত্র মাসের দ্বিতীয় দিনে এখানে সবার সঙ্গে ইফতার করতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত বোধ করছেন। মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশকে সফলভাবে পরিচালনার জন্য সবার সহযোগিতা ও দোয়া প্রার্থনা করেন।
অন্যদিকে, মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন তার বক্তব্যে সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার দ্রুততম সময়ে ফ্যামেলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এই বিষয়ে তিনি সাংবাদিকসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। মন্ত্রী আরও যোগ করেন যে সাংবাদিকদের সহযোগিতা সরকারকে সঠিক পথে চলতে এবং জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকতে সাহায্য করবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ
এই ইফতার মাহফিলে প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সম্পাদক, সিনিয়র সাংবাদিক এবং বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের সদস্যরা ব্যাপকভাবে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ। মঞ্চে আরও উপস্থিত ছিলেন:
- প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সেক্রেটারি আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ
- জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া
- ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম
- জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ
- বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী
- জাতীয় প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য আবদুল হাই শিকদার
- বিএফইউজের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন
- ডিইউজের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম
তথ্য মন্ত্রনালয় থেকে পাঠানো একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই অনুষ্ঠানের সকল তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এই ইফতার মাহফিলটি রমজানের পবিত্রতা ও সম্প্রীতির পরিবেশে সাংবাদিক সম্প্রদায় ও সরকারের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার একটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
