বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী শপথে ১২০০ অতিথির উপস্থিতি নিশ্চিত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রায় ১২০০ জন দেশি-বিদেশি অতিথির উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে দলটি। মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হতে যাচ্ছে, যা দীর্ঘদিনের প্রচলিত রীতি ভেঙে বঙ্গভবনের পরিবর্তে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হবে।
বিদেশি অতিথিদের তালিকা ও আমন্ত্রণ
বিএনপির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, আমন্ত্রিত বিদেশি অতিথিদের মধ্যে রয়েছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল এবং মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু। এছাড়াও, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দ শর্মা ও শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্যমন্ত্রী নলিন্দা জয়তিসারের উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। যুক্তরাজ্যের ভারত–প্রশান্ত মহাসাগরবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি সীমা মালহোত্রারও অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
আইন উপদেষ্টা রোববার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন যে, শপথ অনুষ্ঠানে সার্কভুক্ত দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। নতুন সরকারের এই শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি ও শপথ গ্রহণের প্রক্রিয়া
সংসদ সচিবালয় সূত্র জানিয়েছে, অনুষ্ঠান আয়োজনের সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এদিন নির্বাচিত সংসদ সদস্য (এমপি) শপথ নেবেন এবং একইসঙ্গে তারা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও পৃথক শপথ গ্রহণ করবেন। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন, যা রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার একটি অপরিহার্য অংশ।
সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব এম সিরাজ মিয়া পুরো অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন, যা সরকারি কার্যক্রমের দক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে। এই শপথ অনুষ্ঠানটি কেবল একটি রাজনৈতিক ঘটনা নয়, বরং বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও শাসন ব্যবস্থায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।
