পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় ছাত্র অধিকারের কর্মীদের হামলায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের তিন কর্মী আহত হয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় চরবিশ্বাস ইউনিয়নে সংঘটিত এ ঘটনায় স্থানীয় থানা তদন্ত শুরু করেছে এবং আহতদের গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ঘটনার বিবরণ
হামলায় আহত ব্যক্তিরা হলেন স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক কে আলী কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোলায়মান (২৫), জুলাই যোদ্ধা বাপ্পী খান (২৩) এবং ছাত্রদল নেতা শরীফ আহম্মেদ হাসান (২৩)। সূত্রমতে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দুই মাস আগে একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়, যা পরবর্তীতে এই সহিংসতায় রূপ নেয়।
হামলার ধারাবাহিকতা
প্রথমে ছাত্র অধিকারের কর্মীরা চরবিশ্বাস ইউনিয়নের বুধবাড়িয়া বাজারে সোলায়মানের ওপর হামলা চালায়। এরপর দ্রুতই একই ইউনিয়নের বটতলা বাজারে বাপ্পী খান ও শরীফ আহম্মেদ হাসানের ওপর আক্রমণ করা হয়। ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি জিয়াউল হক জুয়েল জানান, "আমরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের কর্মী ছিলাম। নির্বাচন চলাকালে হুমকির মুখে ছিলাম। শুক্রবার সন্ধ্যায় আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে, যাতে তিন জন আহত হয়েছেন।"
প্রতিক্রিয়া ও তদন্ত
গলাচিপা গণঅধিকারের মিডিয়া সেলের সমন্বয়ক আবু নাঈম বলেন, "ছাত্র অধিকারের কোনো কর্মী যদি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" অন্যদিকে, গলাচিপা থানার ওসি জিল্লুর রহমান ঘটনা শুনেছেন বলে নিশ্চিত করে জানান, "তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
এ ঘটনা স্থানীয় রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। আহতদের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত বিচার ও শান্তি প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন।
