ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির জয়ে তারেক রহমানকে ফোন করে অভিনন্দন জানালেন নরেন্দ্র মোদি
বিএনপির জয়ে তারেক রহমানকে ফোন করলেন নরেন্দ্র মোদি

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির জয়ে তারেক রহমানকে ফোন করে অভিনন্দন জানালেন নরেন্দ্র মোদি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিপুল ভোটের জয় অর্জনের পর দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ফোন করে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) এই ফোনালাপের তথ্য স্বয়ং ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নিজেই নিশ্চিত করেছেন।

মোদির ফোনালাপ ও বার্তার মূল বক্তব্য

নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে উল্লেখ করেন যে তিনি তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলে অত্যন্ত আনন্দিত। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর পোস্টে স্পষ্টভাবে জানান, "বাংলাদেশের নির্বাচনে অসাধারণ বিজয়ের জন্য আমি তাকে অভিনন্দন জানিয়েছি। বাংলাদেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে তার প্রচেষ্টায় আমি আমার শুভেচ্ছা ও সমর্থন জানাই।"

মোদি আরও বলেন, "গভীর শিকড়ে আবদ্ধ ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কযুক্ত দুই ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে আমি আমাদের উভয় দেশের শান্তি, অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধির প্রতি ভারতের অব্যাহত প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছি।"

ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে পূর্ববর্তী শুভেচ্ছা

এর আগে শুক্রবার সকাল ৯টা ৩৭ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে ঐতিহাসিক বিজয়ের জন্য বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানান নরেন্দ্র মোদি। ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, "বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে বিএনপিকে এক বিপুল বিজয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আমি জনাব তারেক রহমানকে আমার উষ্ণ অভিনন্দন জানাচ্ছি। এই বিজয় আপনার নেতৃত্বের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের আস্থার প্রতিফলন।"

ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর ফেসবুক পোস্টে আরও যোগ করেন, "ভারত একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের সমর্থনে পাশে থাকবে। আমাদের বহুমুখী সম্পর্ক জোরদার করতে এবং আমাদের সাধারণ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে আপনার সঙ্গে কাজ করার জন্য আমি উন্মুখ।"

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উপর প্রভাব

এই ফোনালাপ ও বার্তা বিনিময় ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় ভারতের এই প্রকাশ্য সমর্থন ও স্বীকৃতি আঞ্চলিক কূটনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

নরেন্দ্র মোদির এই উদ্যোগকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি ভারতের অঙ্গীকারের প্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে বিশ্লেষকরা মত দিচ্ছেন।