ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট বিতরণ শুরু, নিরাপত্তায় নয় লাখ সদস্য
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ব্যালট বিতরণ শুরু, নিরাপত্তায় নয় লাখ সদস্য

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট বিতরণ শুরু

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য দেশের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ব্যালট পেপার এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম পৌঁছাতে শুরু করেছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতের মধ্যেই ঢাকার বাইরের ভোটকেন্দ্রগুলোতে ব্যালট পেপার, ব্যালট বক্সসহ ভোটগ্রহণের সকল সরঞ্জাম পৌঁছে যাবে বলে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, ঢাকাসহ অন্যান্য বড় শহরগুলোয় ব্যালট বক্স পৌঁছে যাবে আজ সন্ধ্যার মধ্যে।

ভোটগ্রহণের সময়সূচি ও পদ্ধতি

আগামীকাল ১২ই ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ কার্যক্রম চলবে। এবারের নির্বাচনে ভোটাররা দুটি ব্যালট পেপারে ভোট দেবেন। একটি সাদা ব্যালট, যা সংসদ সদস্য নির্বাচনের জন্য ব্যবহৃত হবে। অন্যটি গোলাপি ব্যালট, যা গণভোটের জন্য নির্ধারিত হয়েছে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও বাহিনী মোতায়েন

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের দিন সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় নয় লাখ ৫৮ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) বাহারুল আলম এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, নির্বাচন উপলক্ষ্যে কেন্দ্র, ভ্রাম্যমাণ ও স্ট্রাইকিং ফোর্স – এই তিনটি স্তরে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তার মতে, যে পরিমাণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গৃহীত হয়েছে, তাতে নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার মতো শক্তি কারো নেই। তিনি উল্লেখ করেন, কোথাও একটি অপরাধ বা ডাকাতি হতে পারে, এমনকি খুনের ঘটনাও ঘটতে পারে, কিন্তু ইলেকশন বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না।

ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র চিহ্নিত

তবে আইজিপি বাহারুল আলম এও বলেছেন, এবারের নির্বাচনে প্রাথমিকভাবে সারাদেশে আট হাজার ৭৭০টি ভোটকেন্দ্র অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়া মধ্যম ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা হলো ১৬ হাজার। এই ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা বলছেন, ব্যালট বিতরণ প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সকল প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ভোটগ্রহণ দিনে ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোট দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হবে।