এখন পর্যন্ত ৫২,৩৫০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী ১৩৪টি হজ ফ্লাইটে সৌদি আরব পৌঁছেছেন। বাংলাদেশ হজ অফিসের পরিচালক মো. লোকমান হোসেন জানান, মঙ্গলবার সকাল ১০টা পর্যন্ত জেদ্দায় ১৩৪টি ফ্লাইট পৌঁছেছে।
মৃত্যু ও চিকিৎসা
হজ বুলেটিন অনুযায়ী, গতকাল পর্যন্ত প্রাকৃতিক কারণে ১৩ জন হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১০ জন পুরুষ ও তিনজন নারী। ১১ জন মক্কায় এবং দুইজন মদিনায় মারা গেছেন। সৌদি মেডিকেল টিম স্বয়ংক্রিয়ভাবে ২৪,৯৩৯ জন হজযাত্রীকে চিকিৎসা সেবা দিয়েছে, অন্যদিকে আইটি হেল্পডেস্ক সোমবার পর্যন্ত ১৫,০২০ জনকে চিকিৎসা সেবা দিয়েছে।
হজ ব্যবস্থাপনা
এ বছর বাংলাদেশ থেকে ৭৮,৫০০ জনকে হজ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৬৬০টি এজেন্সি বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যার মধ্যে ৩০টি লিড এজেন্সি এবং ৬৩০টি সমন্বয়কারী এজেন্সি রয়েছে।
এয়ারলাইন অনুযায়ী তথ্য
এয়ারলাইন অনুযায়ী তথ্যে দেখা গেছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৬৩টি ফ্লাইটে ২৫,০৪৬ জন, সৌদি এয়ারলাইন্সের ৪৯টি ফ্লাইটে ১৮,৮৪৮ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের ২২টি ফ্লাইটে ৮,৪৫৬ জন হজযাত্রী পৌঁছেছেন। বাকি ২৬,০২৬ জন হজযাত্রী নির্ধারিত এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে পৌঁছবেন বলে পরিচালক যোগ করেন।
প্রথম হজ ফ্লাইট
প্রথম হজ ফ্লাইট (বিজি৩০০১) ৪১৮ জন হজযাত্রী নিয়ে ১৭ এপ্রিল রাত ১১:৫৭ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জেদ্দার রাজা আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। ফ্লাইটটি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমান।
সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনা
মোট হজযাত্রীর মধ্যে ৪,৫৬৫ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ৭৩,৯৩৫ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ করবেন। ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাস এ পর্যন্ত ৭৮,৩৭৬টি ভিসা ইস্যু করেছে, যার মধ্যে ৪,৪৫৪টি সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ৭৩,৯২২টি বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়।
হজ ও প্রত্যাবর্তন
চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে পবিত্র হজ ২৬ মে সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রত্যাবর্তন ফ্লাইট ৩০ মে জেদ্দা থেকে শুরু হবে এবং শেষ প্রত্যাবর্তন হজ ফ্লাইট ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে।



