হাইকোর্ট শুনবেন কক্সবাজার-২ ও ঝালকাঠি-১ আসনের নির্বাচনী আবেদন
হাইকোর্ট শুনবেন দুই আসনের নির্বাচনী আবেদন

হাইকোর্টে শুনানি হবে দুই আসনের নির্বাচনী আবেদন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুটি আসনের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে আরও দুই প্রার্থীর করা পৃথক নির্বাচনী আবেদন শুনবেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বুধবার এ আদেশ দিয়েছেন। আবেদনগুলো শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে, যা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

আবেদনকারী প্রার্থীদের পরিচয়

আবেদনকারী দুই প্রার্থী হলেন কক্সবাজার-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ এবং ঝালকাঠি-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ফয়জুল হক। কক্সবাজার-২ আসনে আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ১ লাখ ২৪ হাজার ৬৬০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন, যেখানে হামিদুর রহমান আযাদ ৮৯ হাজার ৮১৭ ভোট পান। অন্যদিকে, ঝালকাঠি-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী রফিকুল ইসলাম ৬২ হাজার ১০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন, আর ফয়জুল হক ৫৫ হাজার ১২০ ভোট পান।

আদালতের শুনানি ও নির্দেশনা

আদালতে আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। তিনি পরে প্রথম আলোকে বলেন, ভোটে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগে পৃথক দুটি নির্বাচনী আবেদন করেন ওই দুই প্রার্থী। হাইকোর্ট আবেদন দুটি শুনানির জন্য গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট দুটি আসনের ব্যালটসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সংরক্ষণ করতে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন, যা নির্বাচনী স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নির্বাচনী আবেদনের প্রক্রিয়া

নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে তিনি হাইকোর্টে নির্বাচনী আবেদন করতে পারেন। নির্বাচনসংক্রান্ত আবেদনপত্র গ্রহণ ও শুনানির জন্য গত ১৭ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে একক বেঞ্চ নির্ধারণ করে দেন প্রধান বিচারপতি। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত ৩৬ প্রার্থীর পৃথক ৩৬টি নির্বাচনী আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্টের ওই বেঞ্চ। এরপর আরেকটি একক বেঞ্চ পৃথক পাঁচটি নির্বাচনী আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেন, যা নির্বাচনী আইন ও প্রক্রিয়ার গুরুত্ব তুলে ধরে।

এই শুনানিগুলো বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচনী ন্যায়বিচার ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। হাইকোর্টের এই পদক্ষেপ নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে সন্দেহ দূর করতে এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমাধান নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবে।