জামায়াতে ইসলামীর সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেলেন অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী
জামায়াতের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেলেন মুন্নী

জামায়াতে ইসলামীর সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেলেন অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী। তিনি দলের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মুন্নীর পেশাগত ও রাজনৈতিক পরিচয়

সাবিকুন্নাহার মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি। তিনি ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা এমপি প্রার্থী মতিউর রহমানের সহধর্মিণী। তার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক কেন্দ্রীয় সভানেত্রী হিসেবে।

পরবর্তীতে তিনি জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি নির্বাচিত হন। তিনি দলের মানবাধিকার ও আইনি সুরক্ষা কেন্দ্র (মাসুক)-এর নির্বাহী পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আইন পেশায় সক্রিয়তা

মুন্নী ল’ইয়ার্স কাউন্সিল (মহিলা শাখা)-এর সেক্রেটারি, লিগ্যাল এইড বাংলাদেশের নির্বাহী সদস্য এবং সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী হিসেবে কাজ করছেন। তার এই বিস্তৃত অভিজ্ঞতা তাকে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে।

মনোনয়নের কারণ

ময়মনসিংহ জেলা জামায়াতের নীতিনির্ধারক পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মতে, বিগত আওয়ামী লীগ শাসনামলে দলের দুর্দিনে মুন্নীর বিশেষ অবদান ছিল। জামায়াতের মনোনয়ন বোর্ড তার প্রতি আস্থা রেখে তাকে মনোনীত করেছেন।

স্ত্রীর মনোনয়ন প্রসঙ্গে জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান বলেন, "জামায়াত সবসময়ই ত্যাগী ও যোগ্যতা সম্পন্নদের মূল্যায়ন করে। দল তাকে পরিশ্রমী, ত্যাগী ও যোগ্যতা সম্পন্ন মনে করেছেন বলেই মনোনীত করেছেন।"

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মুন্নীর প্রতিক্রিয়া

সাবিকুন্নাহার মুন্নী বলেন, "দল আমার ওপর আস্থা রেখেই আমাকে মনোনীত করেছে। আল্লাহ চাইলে, সংরক্ষিত আসনের একজন সংসদ সদস্য হয়ে এদেশের অবহেলিত নারী সমাজকে এগিয়ে নিতে এবং সাধারণ মানুষের জন্য নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে কাজ করার চেষ্টা করব।"

এই মনোনয়ন জামায়াতে ইসলামীর নারী নেতৃত্বের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মুন্নীর বহুমুখী অভিজ্ঞতা ও দলের প্রতি নিষ্ঠা তাকে এই আসনের জন্য উপযুক্ত প্রার্থী করে তুলেছে।