ঢাকার আদাবরে একটি বিকাশের দোকানিকে কুপিয়ে টাকা ছিনতাই এবং থানার ওসি ও এসআইকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় মোহাম্মদপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ফরিদ আহমেদ বাবু ওরফে এক্সেল বাবুকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-২। এছাড়াও গ্রেপ্তার হয়েছেন কবজি কাটা গ্রুপের সেকেন্ড ইন কমান্ড আবু সাঈদ, রাশেদ খন্দকার, মো. লিটন, মো. তসির এবং মো. তরিকুল ইসলাম।
র্যাবের বক্তব্য
র্যাব জানিয়েছে, কবজি কাটা গ্রুপের প্রধান আনোয়ার ও বর্তমান সেকেন্ড ইন কমান্ড আবু সাঈদের গুরু হলেন এক্সেল বাবু। তার আশ্রয়-প্রশ্রয়ে তারা ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। মঙ্গলবার রাত থেকে গতকাল ভোর পর্যন্ত রাজধানীর মোহাম্মদপুর, আদাবর ও মিরপুরের ৬০ ফিট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, চাপাতি ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে তথ্য
গতকাল বিকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজার র্যাব মিডিয়াসেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাব-২-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান। কবজি কাটা গ্রুপের সঙ্গে এক্সেল বাবুর সম্পৃক্ততার বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'কবজি কাটা গ্রুপের সঙ্গে শীর্ষ সন্ত্রাসী এক্সেল বাবুর সম্পৃক্ততা সে নিজেই স্বীকার করেছে। এক্সেল বাবু কবজি কাটা গ্রুপের প্রধান আনোয়ার ও আবু সাঈদের গুরু। এক্সেল বাবুর মতো পৃষ্ঠপোষকদের আমরা যতক্ষণ পর্যন্ত আটক করতে পারব না, ততক্ষণ এই গ্যাংগুলো একটিভ হতে থাকবে। এ কারণে আমরা একটু এগ্রেসিভ পুলিশিং করতে চাই।'
মানববন্ধন
নিরাপদ আদাবর ও মোহাম্মদপুরের দাবিতে মানববন্ধন: পুলিশের ওপর হামলা ও ধারাবাহিক ছিনতাই রোধসহ নিরাপদ আদাবর ও মোহাম্মদপুরের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে মোহাম্মদপুর কমিউনিটি অ্যালায়েন্স নামের একটি সংগঠন। গতকাল বিকালে আদাবর থানার সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।



