প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ই-গভর্নেন্সের প্রসার দুর্নীতি দমন ও জনসেবা সরলীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি সরকারি সেবায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর জোর দেন।
ই-গভর্নেন্সের মাধ্যমে দুর্নীতি কমবে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'ডিজিটাল বাংলাদেশ' গড়ার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে অনেক সেবা অনলাইনে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। এর ফলে দুর্নীতির সুযোগ কমে এসেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে আরও বেশি সেবা ডিজিটালাইজেশন করা হবে।
প্রযুক্তি ব্যবহারে সতর্কতা
শেখ হাসিনা সতর্ক করে বলেন, প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধেও সতর্ক থাকতে হবে। তিনি সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্যে বলেন, 'প্রযুক্তি যাতে সঠিক কাজে লাগে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।'
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার ইতিমধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে ই-গভর্নেন্স চালু করেছে। এর ফলে জনগণ ঘরে বসেই সেবা পাচ্ছে। তিনি বলেন, 'আমরা চাই, জনগণ যাতে হয়রানির শিকার না হয়।'
দুর্নীতি দমনে আইনের কঠোর প্রয়োগ
প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, 'দুর্নীতি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।' তিনি দ্রুত বিচার ও শাস্তির ওপর জোর দেন।
সরকারের বিভিন্ন সংস্থাকে দুর্নীতি দমনে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, 'আমাদের লক্ষ্য হলো দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়া।'
জনসেবায় গতি আনতে ই-গভর্নেন্স
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ই-গভর্নেন্সের মাধ্যমে জনসেবায় গতি আসবে এবং সময় ও অর্থ সাশ্রয় হবে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, 'পাসপোর্ট, টিকা সনদ, নাগরিকত্ব সনদ এখন অনলাইনে পাওয়া যায়।'
তিনি আরও বলেন, ভূমি সেবা, ট্রেড লাইসেন্স, কোম্পানি নিবন্ধনসহ অনেক সেবা ইতিমধ্যে অনলাইনে নেওয়া যাচ্ছে। এতে করে দুর্নীতির সম্ভাবনা কমে গেছে।
সবার জন্য ডিজিটাল সেবা
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমরা চাই, দেশের প্রতিটি নাগরিক ডিজিটাল সেবার আওতায় আসুক।' তিনি গ্রামীণ এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগ সম্প্রসারণের ওপর জোর দেন।
তিনি বলেন, 'ডিজিটাল বৈষম্য দূর করতে হবে।' তিনি সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্যে বলেন, 'সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।'



