২০১২ সালে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীকে গুমের ঘটনায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের সম্পৃক্ততা প্রমাণে তার সাবেক দেহরক্ষী ইমরুল কায়েস ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন। রোববার (২১ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এই সাক্ষ্য প্রদান করা হয়।
ফোনালাপের বরাত দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
সাক্ষ্যে ইমরুল কায়েস জিয়াউল আহসান ও শেখ হাসিনার নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক সিদ্দিকীর মধ্যকার একটি ফোনালাপের বিবরণ দেন। এই ফোনালাপে ইলিয়াস আলীকে গুমের পরিকল্পনার ইঙ্গিত পাওয়া যায় বলে দাবি করেন তিনি। ইমরুল আরও বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর অপারেশন রেবেল হান্টের নামে প্রায় ১০ বিডিআর সদস্যকে ইনজেকশন পুশ ও বুড়িগঙ্গা নদীতে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়।
বহু হত্যাকাণ্ডে জিয়াউলের সংশ্লিষ্টতা
ইমরুল তার সাক্ষ্যে বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দেন, যার সবকটিতেই জিয়াউল আহসান জড়িত বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, জিয়াউলের নির্দেশেই এসব হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালের অভিযোগ
চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনাল-১ অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে জিয়াউলের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দেয়। অভিযোগে বলা হয়, ২০১১ সালের ১১ জুলাই গাজীপুরের পুবাইলে তিন জনকে হত্যা, ২০১০-২০১৩ সাল পর্যন্ত বরগুনায় ৫০ জন এবং একই সময়ে আরও ৫০ জনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।



