গুলশান ফ্ল্যাট জালিয়াতি মামলায় শুনানি পিছিয়ে ৬ মে, টিউলিপ-মোশাররফের বিরুদ্ধে চার্জগঠন
গুলশান ফ্ল্যাট মামলায় শুনানি পিছিয়ে ৬ মে, টিউলিপ-মোশাররফের বিরুদ্ধে চার্জ

গুলশান ফ্ল্যাট জালিয়াতি মামলায় শুনানি পিছিয়ে ৬ মে নির্ধারণ

রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় ফ্ল্যাট জালিয়াতির অভিযোগে করা মামলায় ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও রাজউকের সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা সরদার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন বিষয়ে শুনানির তারিখ পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আদালত আগামী ৬ মে নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন, যা আগে নির্ধারিত ছিল বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল)।

আদালতের সিদ্ধান্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া

বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ-৫ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে শুনানি শেষে এ নতুন তারিখ ধার্য করা হয়। দুদকের পক্ষের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, "আজ মামলাটির চার্জগঠনের শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে বিচারিক ব্যস্ততার কারণে শুনানি পিছিয়ে ৬ মে নতুন দিন ঠিক করা হয়েছে।"

এর আগে গত ৮ এপ্রিল ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত থেকে মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় ঢাকার বিশেষ জজ-৫ আদালতে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন, যা মামলার গুরুত্ব বাড়িয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলার পটভূমি ও অভিযোগের বিবরণ

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোনো অর্থ পরিশোধ না করেই গুলশান-২ এলাকায় ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের একটি ফ্ল্যাট দখল ও রেজিস্ট্রি করা হয়। মামলায় পরস্পর যোগসাজশ ও দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে, যা উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের জড়িত থাকার ইঙ্গিত দেয়।

মামলাটি চলতি বছরের জুলাইয়ে হাইকোর্টে রিটের মাধ্যমে কিছু সময়ের জন্য তদন্ত কার্যক্রম স্থগিত থাকলেও পরে তদন্ত শেষে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও সরদার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে দুদক। এই চার্জশিটের ভিত্তিতেই এখন চার্জগঠনের শুনানি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যা মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আদালতের নতুন তারিখ নির্ধারণের ফলে মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া সাময়িক বিলম্বিত হলেও, আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের দিকে এগিয়ে চলেছে। আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই মামলা দুর্নীতি দমনে একটি মাইলফলক হতে পারে, বিশেষ করে যখন বিদেশি নাগরিক ও সরকারি কর্মকর্তারা জড়িত রয়েছেন।