যুব প্রশিক্ষণে বড় দুর্নীতির অভিযোগ, প্রতিমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিলেন দ্রুত ব্যবস্থার
যুব ও ক্রিড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক সংসদে দাবি করেছেন, গত ষোলো থেকে সতেরো বছর ধরে যুব প্রশিক্ষণের নামে বড় বড় দুর্নীতি সংঘটিত হয়েছে। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, যারা এই সুযোগগুলো অবৈধভাবে নিয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংসদ অধিবেশনে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য
রবিবার (২৯ মার্চ) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীন ফারুকের একটি সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে যুব ও ক্রিড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক এই তথ্য তুলে ধরেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের তৃতীয় দিনে মূলতবি অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সভাপতিত্ব করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, "আমি এখানে উত্তর দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছি। আমি আপনার সঙ্গে অনেকটাই একমত, অল্প সময় দায়িত্ব নেওয়ার পরে আমরা যেটা দেখেছি, বিগত ১৬ বছর ১৭ বছর এই যুব উন্নয়ন বা যুব প্রশিক্ষণের বিভিন্ন নামে অনেক বড় বড় দুর্নীতি হয়েছে। অনেক কিছু ইতোমধ্যে পরিলক্ষিত হয়েছে আমার দৃষ্টিতে। সেগুলো আমি আপাতত আমার কাছে পর্যবেক্ষণের জন্য রেখে দিয়েছি।"
দুর্নীতি দমনে প্রতিশ্রুতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
তিনি আরও যোগ করেন, "বিগত সময় যেখানেই দুর্নীতি হয়েছে সেগুলোকে কীভাবে আমরা সুন্দরভাবে গুছিয়ে সমাধান করতে পারি– কারণ দুর্নীতিকে আমরা কখনোই কোনও প্রশ্রয় দেবো না। যারা অবৈধভাবে এই সুযোগগুলো নিয়েছেন তাদেরও আমরা বাছাই করে দ্রুত ব্যবস্থা নেবো।"
পাশাপাশি, প্রতিমন্ত্রী যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসরণের প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে প্রশিক্ষণগুলো সঠিকভাবে পরিচালিত হয় তা নিশ্চিত করতে তিনি নিজে তদারকি করবেন।
এই বক্তব্যে যুব উন্নয়ন খাতের দুর্নীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে এবং সরকারের কঠোর পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এটি যুব প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।



