ফরিদপুরে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রতারণার অভিযোগে এক ব্যক্তি আটক
ফরিদপুরে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রতারণার অভিযোগে আটক

ফরিদপুরে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রতারণার অভিযোগে এক ব্যক্তি আটক

ফরিদপুর সদর উপজেলার গেরদা ইউনিয়নের কেশব নগর গ্রামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে দরিদ্র মানুষদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মো. সাইফুল ইসলাম, যিনি স্থানীয় তমিজ উদ্দিনের ছেলে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কোতোয়ালি থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে।

প্রতারণার পদ্ধতি ও ভুক্তভোগীদের বর্ণনা

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাইফুল ইসলাম কেশবনগর এলাকার কয়েকজন হতদরিদ্র মানুষের কাছে গিয়ে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি তাদের কাছ থেকে জনপ্রতি সামর্থ্য অনুসারে সাতশ থেকে এক হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। পরে তার কথাবার্তায় অসংলগ্নতা লক্ষ্য করে ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফের হট লাইন নম্বরে যোগাযোগ করেন।

এমপির নির্দেশে হটলাইন নম্বর পরিচালনাকারীরা বিষয়টি খতিয়ে দেখে সত্যতা পান। এরপর স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর সহায়তায় সাইফুল ইসলামকে আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তি অকপটে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেন এবং দাবি করেন যে না বুঝেই তিনি এমন কাজ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আর কখনও এমন কাজ করবেন না’ এবং নিঃশর্ত ক্ষমা চান, কিন্তু স্থানীয় লোকজন তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের বক্তব্য ও আইনি পদক্ষেপ

কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন যে এই ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে ভবিষ্যতে অনুরূপ ঘটনা না ঘটে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই ঘটনায় বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরাও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন, যা এলাকায় জনসচেতনতা বাড়াতে সহায়ক হয়েছে। ফরিদপুর সদর উপজেলার গেরদা ইউনিয়নে দরিদ্র মানুষদের সহায়তা দেওয়ার নামে এমন প্রতারণার ঘটনা আগেও শোনা গেছে, তবে এবার দ্রুত পদক্ষেপের ফলে অপরাধী ধরা পড়েছে।

এই ঘটনা সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অপব্যবহার সম্পর্কে সতর্কতা বাড়িয়েছে এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে আরও জোরদার তদন্তের দিকে পরিচালিত করেছে। পুলিশ আশ্বাস দিয়েছে যে ভুক্তভোগীদের পাওনা টাকা ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করা হবে এবং অন্যান্য সম্ভাব্য অপরাধীদের খুঁজে বের করার জন্য তদন্ত চলছে।