জনতা পার্টি বাংলাদেশের মহাসচিব ও সিনিয়র সাংবাদিক শওকত মাহমুদ দীর্ঘদিন কারাবন্দি থাকার পর অবশেষে কারামুক্ত হয়েছেন। জামিন পাওয়ার পর সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ফারুক আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেফতার ও মামলার পটভূমি
গত ২০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক এনায়েত করিম চৌধুরীকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা একটি মামলায় গ্রেফতার করা হয়। এরপর গত ৭ ডিসেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও জনতা পার্টি বাংলাদেশের মহাসচিব শওকত মাহমুদকে রাজধানীর মালিবাগ এলাকা থেকে আটক করে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।
এরপর কারাবন্দি অবস্থায় শওকত মাহমুদকে গত ৩০ মার্চ সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় পুনরায় গ্রেফতার দেখানো হয়। ‘মঞ্চ ৭১’ নামের একটি সংগঠন আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠককে কেন্দ্র করে এই মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলায় আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান (কার্জন), সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলমসহ ১৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। শওকত মাহমুদকে এ মামলায় ‘তদন্তে প্রাপ্ত’ আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
আইনি প্রক্রিয়া ও জামিন
দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর শওকত মাহমুদ জামিন লাভ করেন এবং জামিনের শর্ত পূরণ করে কারাগার থেকে মুক্তি পান। তার মুক্তির খবরে পরিবার, সহকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।



