দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা পৃথক মামলায় কিশোরগঞ্জের প্রেসিডেন্ট রিসোর্ট অ্যান্ড এগ্রো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এ.বি.এম শাহারিয়ারসহ দুই জনের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অপর জন হলেন-বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ সদর দফতরের এটিএম বিভাগের কার্টোগ্রাফার আব্দুল সোবহানের স্ত্রী মিসেস সালমা।
মঙ্গলবার (১৯ মে) দুদকের পৃথক দুই আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন।
আদালতে এ.বি.এম শাহারিয়ারের আয়কর নথি জব্দের আবেদন করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক ও তদন্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন। আবেদনে বলা হয়, শাহারিয়ার প্রায় ১২ কোটি ৯৬ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৪ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রেখেছেন, যা দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। একই মামলায় সাবেক ডিবি প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে তাকে সহযোগিতা করার অভিযোগ আনা হয়েছে, যা দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
দুদক জানায়, মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে শাহারিয়ারের আয়কর রিটার্নসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র জব্দ ও পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
অন্যদিকে, মিসেস সালমার আয়কর নথি জব্দের আবেদন করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মাহাবুব মোর্শেদ। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, মিসেস সালমা ও তার স্বামী আব্দুল সোবহান জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ৪৬ লাখ ৫০ হাজার ৩৮৭ টাকার সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রেখেছেন। এছাড়া ১৯ লাখ ৩২ হাজার ৬৪ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগও আনা হয়েছে। এসব অভিযোগে দুদকের দায়ের করা মামলার তদন্তের স্বার্থে তার আয়কর নথি জব্দ করা প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।



