অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে তরিক রহমানের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে অভিনন্দন প্রস্তাব
অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে তরিক রহমানের অভিনন্দন প্রস্তাব

অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে অভিনন্দন প্রস্তাব

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের পার্লামেন্টে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তরিক রহমানের নির্বাচনে অভিনন্দন জানিয়ে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে। সোমবার অস্ট্রেলীয় পার্লামেন্ট সদস্য অ্যাবিগেইল বয়েড এই প্রস্তাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে টেবিলে উপস্থাপন করেন। বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ রাশেদুল হক সাংবাদিকদের কাছে এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

প্রস্তাবের মূল বক্তব্য ও বিবরণ

প্রস্তাবটিতে বাংলাদেশের ১৩তম সংসদীয় নির্বাচন, যা ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল, তা সাম্প্রতিক দশকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও বিশ্বাসযোগ্য বলে বর্ণনা করা হয়েছে। প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই নির্বাচনটি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে ১৫ বছরের সর্বাত্মক শাসনের অবসানের পর প্রথম নির্বাচন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ছাত্র ও সাধারণ মানুষের ব্যাপক আন্দোলনের পর এই পরিবর্তন ঘটে বলে প্রস্তাবে দাবি করা হয়েছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, তরিক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন জয়লাভ করেছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য উদ্ধৃত করে বয়েড উল্লেখ করেছেন যে, এই নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৫৯ শতাংশ, যা একটি রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত। এছাড়াও, জুলাই জাতীয় সনদ বিষয়ক সাংবিধানিক গণভোটের ফলাফলও প্রস্তাবে তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে ৬০ শতাংশ ভোটার এই উদ্যোগের পক্ষে মত দিয়েছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জাতীয় সনদের প্রস্তাবনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

এই জাতীয় সনদে দেশের শাসন কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সংস্কারের লক্ষ্যে ৮০টিরও বেশি প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আগামী সরকার কর্তৃক এই প্রস্তাবগুলি বাস্তবায়নের আশা প্রকাশ করা হয়েছে প্রস্তাবটিতে। প্রস্তাবের সমাপ্তি অংশে বিএনপি ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত তরিক রহমানকে তাদের নির্বাচনী বিজয়ের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে অ্যাবিগেইল বয়েড একই পার্লামেন্টে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন। এই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়নকে স্বীকৃতি দিতে নতুন এই প্রস্তাবটি আনা হয়েছে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।