ফ্যামিলি কার্ড পাইলট প্রকল্প ৩০ জুনে শেষ হবে, বিএনপির দীর্ঘ পরিকল্পনার বাস্তবায়ন
ফ্যামিলি কার্ড পাইলট প্রকল্প ৩০ জুনে শেষ হবে

ফ্যামিলি কার্ড পাইলট প্রকল্প ৩০ জুনে শেষ হবে, বিএনপির দীর্ঘ পরিকল্পনার বাস্তবায়ন

মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, “ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি কোনও তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নয়। এটি ছিলো বিএনপির দীর্ঘ পরিকল্পনার বাস্তবায়ন। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে এর পাইলট প্রকল্প শেষ হবে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই কার্ড কোনও দল বা ধর্মের ভিত্তিতে নয়, বরং এটি হবে সার্বজনীন

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে রাজধানী বনানীর টিঅ্যান্ডটি স্কুল মাঠে ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাটন টিপে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, “আমরা আশা করি, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে অনেকে স্বয়ম্বরতা অর্জন করবেন। চাহিদা মতো খরচ করে পুষ্টিহীনতা থেকে মুক্ত হবে।”

সরকারি সুবিধা বিতরণে বিএনপির নীতি

ডা. জাহিদ বলেন, “বিগত স্বৈরাচার সরকার সরকারি সুবিধা বিতরণ করেছে দলীয় বিবেচনায়। তবে, বর্তমান সরকার এক্ষেত্রে কাউকে বিচার করে না। উপযুক্ত ব্যক্তির মধ্যেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। সবাইকে রাষ্ট্রের সমান নাগরিক মনে করে।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিএনপি কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী।

বিএনপির ঐতিহাসিক ভূমিকা

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, “জিয়াউর রহমান যেমন স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে সীমান্ত দিয়ে পালিয়ে যাননি, তারেক রহমানও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না করে ছাড়েননি।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিএনপি সব সময়ই নারী বান্ধব। জিয়াউর রহমান ১৯৭৬ সালে প্রথম নারী বিষয়ক মন্ত্রণালয় চালু করেন এবং পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়া তা নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে রূপান্তর করেন। দেশে সংসদীয় গণতন্ত্রও চালু করেছিলেন তিনি।

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা দারিদ্র্য বিমোচন ও পুষ্টিহীনতা দূরীকরণে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।