ঝিনাইদহে বিএনপি প্রার্থীর অফিসে সংঘর্ষ: পাঁচজন গ্রেফতার, মামলায় আটজনের নাম
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে বিএনপির প্রার্থী রাশেদ খানের অফিসে দলীয় দুই পক্ষের সংঘর্ষ ও পুলিশ হামলার ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় আটজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং পুলিশ ইতিমধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের এক চেয়ারম্যানসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে।
মামলা দায়ের ও গ্রেফতারের বিস্তারিত
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে কালীগঞ্জ থানার এএসআই জাহিদ হোসেন বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন। পরদিন শনিবার বিভিন্ন সময়ে পৃথক পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত পাঁচজনকে আটক করা হয়।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খুরশিদ আলম, খামারাইল গ্রামের মতি মিয়া, মনিরুল ইসলাম, নুর আলী মন্ডল ও পলাশ মন্ডল।
ঘটনার পটভূমি ও পুলিশ হামলা
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই তকিবুর রহমান জানান, কালীগঞ্জ থানার সামনে রাশেদ খানের কার্যালয়ে বিএনপির একটি সভা চলাকালে দলের কর্মীদের মধ্যে হঠাৎ সংঘর্ষ বাধে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ এগিয়ে গেলে তাদের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে তিনজন পুলিশ সদস্য আহত হন।
উল্লেখ্য, শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে কালীগঞ্জ থানার সামনে বিএনপির প্রার্থী রাশেদ খানের অফিসে আয়োজিত সভায় দলীয় কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় হামলাকারীরা থানার ভেতরে প্রবেশ করে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। সংঘর্ষে তিন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।
পুলিশের তদন্ত ও অভিযান
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তারা আরও সন্দেহভাজনদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছে এবং ঘটনার তদন্ত গভীরভাবে চলছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এই সংঘর্ষের ফলে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন ঘটনাস্থলে নিয়মিত টহল দিচ্ছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে।
এই ঘটনায় বিএনপির স্থানীয় নেতারা এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাননি। তবে পুলিশের গ্রেফতার ও মামলা দায়েরের বিষয়টি এলাকায় আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
