বিএনপি চেয়ারম্যানের শপথে ঢাবি টিএসসিতে ছাত্রদলের মিষ্টি বিতরণ
তারেক রহমানের শপথে ঢাবিতে ছাত্রদলের মিষ্টি বিতরণ

বিএনপি চেয়ারম্যানের শপথে ঢাবি টিএসসিতে ছাত্রদলের মিষ্টি বিতরণ

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্র–শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি)–তে মিষ্টি বিতরণ করেছেন ছাত্রদলের নেতা ও কর্মীরা। এই আনন্দঘন উদ্যোগটি আজ রাতে অনুষ্ঠিত হয়, যা দীর্ঘ ১৭ বছর পর একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা যায়।

মনোয়ার হোসেন প্রান্তের নেতৃত্বে উদ্যোগের সূচনা

মাস্টারদা সূর্য সেন হলের আহ্বায়ক মনোয়ার হোসেন প্রান্ত এই মিষ্টি বিতরণের সূচনা করেন। তিনি মিষ্টি বিতরণের পাশাপাশি প্রার্থনা করেন যে, তারেক রহমান দেশকে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে সক্ষম হবেন। প্রান্ত বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর পর একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। সুন্দরভাবে একটি গণতান্ত্রিক যাত্রা শুরু হওয়ার খুশিতে আমরা সবাইকে মিষ্টি বিতরণ করেছি। আমরা বিশ্বাস করি, তারেক রহমান তাঁর দক্ষতা ও যোগ্যতার মাধ্যমে দেশকে আধুনিক ও উন্নত দেশে পরিণত করবেন।”

উপস্থিত নেতা-কর্মীদের তালিকা

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদলের বিভিন্ন হলের নেতা ও কর্মীরা। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিরা হলেন:

  • মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল ছাত্রদলের সাংস্কৃতিক সম্পাদক হারুন অর রশিদ
  • মাস্টারদা সূর্য সেন হলের যুগ্ম আহ্বায়ক আমিনুল হক
  • হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল ছাত্রদলের সদস্য কিয়েভ বারী

এই নেতা-কর্মীরা সম্মিলিতভাবে মিষ্টি বিতরণ করে এবং দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

গণতান্ত্রিক যাত্রার সূচনা হিসেবে বিবেচনা

ছাত্রদলের এই উদ্যোগকে একটি গণতান্ত্রিক যাত্রার সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। মনোয়ার হোসেন প্রান্তের বক্তব্য অনুযায়ী, এই মিষ্টি বিতরণ শুধুমাত্র আনন্দ প্রকাশ নয়, বরং দেশের জন্য একটি নতুন দিগন্তের প্রতীক। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ আধুনিকীকরণ ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে, যা ছাত্রদলের সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি করেছে।

এই ঘটনাটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করেছে, যেখানে ছাত্র-শিক্ষকসহ সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেছেন। ছাত্রদলের নেতারা আশা প্রকাশ করেন যে, এই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।