রাজধানীর সড়কে চলাচলকারী একটি বাসের বডির পেছনের অংশ ভেঙে পড়া ঠেকাতে রশি ও শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। ১২ এপ্রিল রাজধানীর গুলিস্তানে এ দৃশ্য দেখা যায়। ঢাকার রাস্তা থেকে পুরোনো বাস তুলে নেওয়ার চেষ্টা শুরু হয়েছিল দেড় দশক আগে। আওয়ামী লীগ সরকার তা পারেনি। কারণ, দলটির নেতারাই ছিলেন বাসমালিক ও নিয়ন্ত্রক।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আশা করা হয়েছিল, এবার একটা পরিবর্তন আসবে। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারকে জোরালো উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বাস চলাচলব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে বিএনপি নেতাদের হাতে।
পুরোনো বাসের সমস্যা ও নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তন
দেড় দশক আগে ঢাকার রাস্তা থেকে পুরোনো বাস সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলটির নেতারা বাসমালিক ও নিয়ন্ত্রক থাকায় এই উদ্যোগ সফল হয়নি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আশা করা হয়েছিল, এবার পুরোনো বাস সরানো সম্ভব হবে। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার এই বিষয়ে কোনো জোরালো উদ্যোগ নেয়নি।
বর্তমান পরিস্থিতি
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বাস চলাচলব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে বিএনপি নেতাদের হাতে। রাজধানীর সড়কে এখনও পুরোনো বাস চলাচল করছে, যার বডি ভেঙে পড়া ঠেকাতে রশি ও শিকল ব্যবহার করা হচ্ছে। এই অবস্থায় সাধারণ মানুষ ও পথচারীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় বাস চলাচলব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে অরাজক অবস্থায় রয়েছে। পুরোনো বাসের বডি ভেঙে পড়ার ঘটনা আগেও ঘটেছে। কিন্তু কোনো সরকারই এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে পারেনি। বর্তমানে অন্তর্বর্তী সরকার এই বিষয়ে উদ্যোগ নিচ্ছে না, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।



