বিএনপি নেতা রাশেদ খান সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সম্পর্কে তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ এবং নেশায় নিমগ্ন। তাঁর মতে, কোনো সুস্থ মানুষ এভাবে কথা বলতে পারে না।
পাটওয়ারীর বক্তব্য নিয়ে রাশেদ খানের পর্যবেক্ষণ
রাশেদ খান বলেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী যে ভাষায় কথা বলছেন তা রাজনৈতিক ভাষা হতে পারে না। তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অশালীন ভাষায় সম্বোধন করেছেন এবং তাঁর নাম সঠিকভাবে উচ্চারণ করেননি। এমনকি তিনি দাবি করেছেন যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাজার ব্যবসা করেন, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা।
তিনি আরও বলেন, পাটওয়ারী প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও কন্যা সম্পর্কে অপ্রীতিকর মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন যে প্রধানমন্ত্রী মেয়েকে ফুটবলে দিয়েছেন এবং সহধর্মিণীকে হাসপাতালে দিয়েছেন। রাশেদ খানের মতে, এই ধরনের কথা-বার্তা একজন সুস্থ মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়।
জামায়াত সম্পর্কে পাটওয়ারীর মন্তব্য
রাশেদ খান উল্লেখ করেন, পাটওয়ারী আগে জামায়াতকে ভারতের এক্সটেনশন, ভণ্ডামি, মুনাফেকের দল ও ধর্মের ব্যবসায়ী বলে আখ্যায়িত করেছিলেন। কিন্তু পরে তিনি জামায়াতের কাছ থেকে ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনের জন্য আসন ভাগাভাগি করে নিয়েছেন। এটি তাঁর নৈতিকতার অভাব প্রকাশ করে।
এখন পাটওয়ারী জামায়াতের আইডল হয়ে উঠেছেন এবং জামায়াত তাঁকে ব্যবহার করে বিএনপি বিরোধিতা করছে। তিনি বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে বাজে ভাষায় মন্তব্য করছেন।
বিএনপির সামাজিক কর্মসূচি নিয়ে সমালোচনা
রাশেদ খান বলেন, বিএনপির সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি সাধারণ মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে, কিন্তু পাটওয়ারী সেগুলোকে লাল কার্ড দেখানোর কথা বলছেন। তিনি মনে করেন, রাজনৈতিক সমালোচনা করা যায়, কিন্তু ভাষা যদি জঘন্য হয় তবে তাকে রাজনীতিবিদ বলা যায় না। পাটওয়ারী একজন পলিটিক্যাল জোকার মাত্র।
তিনি এনসিপির প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, পাটওয়ারীর মানসিক সুস্থতার প্রয়োজন। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করে ডোপ টেস্ট করানো উচিত। কারণ নিয়মিত গাজা সেবন না করলে কেউ এভাবে কথা বলতে পারে না।



