সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা হতে যাচ্ছেন ডা. শফিকুর রহমান, উপনেতা নাহিদ ইসলাম
বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, উপনেতা নাহিদ ইসলাম

সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা হতে যাচ্ছেন ডা. শফিকুর রহমান

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান হতে যাচ্ছেন সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা। দলীয় নির্ভরযোগ্য সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। অন্যদিকে, বিরোধীদলীয় উপনেতা হতে পারেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তবে এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে জামায়াত এবং ১১ দলীয় ঐক্যের সঙ্গে বৈঠকের প্রয়োজন হবে বলে জানা গেছে।

বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও হুইপ পদে সম্ভাব্য প্রার্থীরা

সংসদে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও হুইপ হওয়ার দৌড়ে আছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মওলানা রফিকুল ইসলাম খান। এছাড়াও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল এবং সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদও এই পদগুলোর জন্য আলোচনায় রয়েছেন।

চট্টগ্রামের শাহজাহান চৌধুরী এবং সাতক্ষীরার গাজী নজরুল ইসলামকে সম্মানজনক যে কোনো পদ দেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও বিরোধী দল থেকে একজন ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আলোচনায় অন্যান্য ব্যক্তিত্ব

এই দৌড়ে আলোচনায় আছেন দলের সাবেক আমির মওলানা মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন। এছাড়াও মীর কাসেম আলির ছেলে আয়নাঘর থেকে ফেরত আসা ব্যারিস্টার আহমদ বিনকাসেম আরমানও এই পদগুলোর জন্য বিবেচনাধীন রয়েছেন। তবে ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেনের সম্ভাবনা বেশি বলে মনে করা হচ্ছে।

সূত্রমতে, ১১ দলের শরিকদের মধ্যে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ হতে পারেন বিরোধীদলের হুইপ। এই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

দলীয় সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত হয়নি

জামায়াত নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাওলানা এটিএম মাসুম বলেন, সংসদের এসব পদ নিয়ে দলের এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ১১ দলীয় জোট টিকিয়ে রাখার স্বার্থে শরিকদের জন্যও ছাড় দিতে হবে। এই বিষয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে এবং শীঘ্রই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর এই নেতৃত্ব নির্বাচন বিরোধী দলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। দলীয় সূত্রগুলো থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই পদগুলো বণ্টনের ক্ষেত্রে দলীয় ঐক্য এবং জোটের স্থিতিশীলতা বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।