১১ ঘণ্টা আটকে থাকার পর কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেসের যাত্রা বাতিল
১১ ঘণ্টা আটকে থাকার পর পর্যটক এক্সপ্রেসের যাত্রা বাতিল

দীর্ঘ ১১ ঘণ্টা আটকে থাকার পর মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত ১১টায় কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রা বাতিল করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন ট্রেনে থাকা শিশু-বৃদ্ধসহ অন্য যাত্রীরা। রেললাইন পানিতে ডুবে থাকায় সকাল থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

ট্রেনের যাত্রা শুরু ও আটকে পড়া

৮০০ যাত্রী নিয়ে ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে ভোর ছয়টা ১৫ মিনিটে যাত্রা শুরু করে বিকাল পৌনে ৩টায় কক্সবাজার পৌঁছার কথা ছিল পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের। এর মধ্যে চট্টগ্রামের ষোলশহর স্টেশনের কাছে দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে আটকে পড়ে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস। অতিবৃষ্টির কারণে চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে রেললাইন ডুবে যাওয়ার কারণে ট্রেনটি আটকে পড়ে। ট্রেনটি প্রথমে মুরাদপুর সুন্নিয়া মাদ্রাসার সামনে আটকে থাকলেও পরে সেখান থেকে সরিয়ে ষোলশহর রেলওয়ে স্টেশনের সামনে নিয়ে যাওয়া হয়।

রেলওয়ের ব্যাখ্যা

রেলওয়ের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা ফারহান মাহমুদ বলেন, ‘রেললাইনের ওপর প্রায় ২০ ইঞ্চি পানি জমে আছে। পানি অন্তত ছয় ইঞ্চিতে না নামলে ট্রেনের ইঞ্জিন চালানো সম্ভব নয়। সন্ধ্যার দিকে পানি কিছুটা কমলেও রাতে বৃষ্টি বেড়ে যাওয়ায় পানি আবার বাড়তে শুরু করে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনা করে যাত্রীদের সুরক্ষায় রাত ১১টার দিকে আমরা ট্রেনটির যাত্রা বাতিল করতে বাধ্য হয়েছি।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

যাত্রীদের দুর্ভোগ

অনেক রাতে এ ট্রেনের যাত্রা বাতিলের ঘোষণার পর চরম দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। ষোলশহর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার আরিফুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আজ সকাল থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে কোনও ট্রেন চলাচল করেনি। এখনও রেললাইনে পানি জমে আছে। পানি সরে গেলে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হবে।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ