ইসলামী আন্দোলনের নতুন মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান
ইসলামী আন্দোলনের নতুন মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের (আইএবি) নতুন মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন গাজী মাওলানা আতাউর রহমান। অন্যদিকে, দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করা সাবেক মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনুছ আহমাদকে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য করা হয়েছে।

নতুন কমিটি গঠন

শনিবার (২৭ জুন) রাজধানীর বিজয়নগরের ফার্স হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে আইএবির মজলিসে শুরার বিশেষ অধিবেশনে এই দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। অধিবেশনে মেয়াদের আগেই পূর্বের কমিটি ভেঙে শীর্ষস্থানীয় পদগুলোতে কিছু রদবদল আনা হয়েছে।

আমিরের বক্তব্য

নতুন কমিটির বিষয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, “ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গতানুগতিক কোনও রাজনৈতিক সংগঠন না বরং শরিয়াহ পূর্ণ অনুসরণ ও বাস্তবায়নই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। শরিয়াহ ও ইসলামকে প্রধান্য দিয়েই আমরা রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণ করি, তাতে বাহ্যিক চড়াই-উৎরাই আমরা মেনে নেই। সময় থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা সামনে এগিয়ে যেতে চাই। সে জন্য দলকে আরও সুসংহত করতে হবে। আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষতা অর্জন করতে হবে। কারণ জাতির প্রত্যাশা পূরণে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর ধারাবাহিক ব্যর্থতা আমাদের দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে তুলছে।”

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নতুন নেতৃত্ব

এদিন নতুন মহাসচিবের পাশাপাশি চার জন যুগ্মমহাসচিব, চার জন সহকারী মহাসচিব ও ৪৮ সদস্যের নাম ঘোষণা করা হয়। যুগ্মমহাসচিবরা হলেন – ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, অধ্যক্ষ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, শাহ ইফতেখার তারিক, মাওলানা নেছার উদ্দিন। সহকারী মহাসচিব হিসেবে মাওলানা সৈয়দ এসহাক মুহাম্মদ আবুল খায়ের, মাওলানা আহমদ আব্দুল কাইয়ুম, কেএম আতিকুর রহমান ও শেখ ফজলুল করীম মারুফের নাম ঘোষণা করা হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দফতর বণ্টন

শুরার বৈঠকে ৫৪ জন সদস্যের নাম ঘোষণা হয়। পরবর্তী সময়ে তাদের দফতর বণ্টন করা হয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যরা হলেন – চরমোনাই পীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম (আমির), মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম (নায়েবে আমির), মাওলানা আব্দুল আউয়াল (নায়েবে আমির), মাওলানা আব্দুল হক আজাদ (নায়েবে আমির), মাওলানা গাজী আতাউর রহমান (মহাসচিব), প্রকৌশলী মুহাম্মদ আশরাফুল আলম (যুগ্ম-মহাসচিব), হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ (যুগ্ম-মহাসচিব), শাহ ইফতেখার তারিক (যুগ্ম-মহাসচিব), মাওলানা মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন (যুগ্ম-মহাসচিব), মুফতি সৈয়দ এসহাক মুহা. আবুল খায়ের (সহকারী মহাসচিব), মাওলানা আহমাদ আবদুল কাইয়ুম (সহকারী মহাসচিব), কে এম আতিকুর রহমান (সহকারী মহাসচিব), হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলুল করীম মারুফ (সহকারী মহাসচিব)।

অন্যান্য সদস্য

এছাড়াও বাকি সদস্যরা হলেন – মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন ওয়ালী উল্লাহ (এমপি), মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী, আলহাজ্ব হারুন অর রশীদ, হাফেজ মাওলানা নুরুল করীম আকরাম, শেখ আবু তাহের, মুফতী কেফায়েতুল্লাহ কাশফী, অ্যাডভোকেট শওকত আলী হাওলাদার, মাওলানা মুহাম্মদ শোয়াইব হোসেন, আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, প্রকৌশলী আতিকুর রহমান মুজাহিদ, মুফতী হেমায়েতুল্লাহ কাসেমী, প্রফেসর ড. বেলাল নূর আজীজি, মাওলানা মুহাম্মদ খলিলুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবুল কাশেম, মুফতী দেলাওয়ার হোসাইন সাকী, শেখ মুহাম্মদ নুরুন নাবী, হা. মাও. মাহমুদুল হাসান (এলএলবি), মাওলানা মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, উপাধ্যক্ষ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, কে এম শরীয়তুল্লাহ, অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বরকতুল্লাহ লতিফ, অধ্যাপক নাছির উদ্দিন খান, মুফতি মানসুর আহমাদ সাকী, আলহাজ্ব মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, মুফতি রেজাউল করীম আববার, মুফতি শামসুদ্দোহা আশরাফী, আলহাজ্ব মুহাম্মদ আল ইকবাল, আলহাজ্ব মুহাম্মদ সেলিম মাহমুদ, প্রভাষক মাওলানা আলমগীর হোসাইন তালুকদার, কে এম বেলাল হোসাইন, মাওলানা শেখ মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম, মুহাম্মদ আব্দুজ জলিল, মুহাম্মদ আল-আমীন (ঠাকুরগাঁও), ইঞ্জিনিয়ার শেখ মারুফ, এম এম কামাল হোসাইন (ভোলা)।

পূর্ববর্তী দায়িত্ব

প্রসঙ্গত, গাজী আতাউরের আগে দলটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। অন্যদিকে, অধ্যক্ষ ইউনুছ ২০০৮ সাল থেকে টানা মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।