মির্জা ফখরুলের শপথ: 'নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করব'
মির্জা ফখরুলের শপথ: নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ

মহান স্বাধীনতা দিবসে মির্জা ফখরুলের শপথ: 'সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করব'

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ বৃহস্পতিবার সকালে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন। মুক্তিযুদ্ধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে এসে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং নতুন বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

'নতুন বাংলাদেশ গড়ার শপথ নিয়েছি আমরা সবাই'

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্পষ্ট ভাষায় বলেন, 'এবার আমরা সবাই নতুন এক বাংলাদেশ গড়ার শপথ নিয়েছি। সেই লক্ষ্যে আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থেই একটি সুখী, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য কাজ করব।' তার এই বক্তব্য স্বাধীনতা দিবসের প্রেক্ষাপটে জাতীয় সংকল্পের প্রতিফলন হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার স্মরণ

বিএনপির মহাসচিব মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস স্মরণ করে বলেন, 'স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে সমগ্র জাতিকে স্বাধীনতাযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করেছিলেন এবং দীর্ঘ ৯ মাস সেই যুদ্ধ করে আমরা স্বাধীন হয়েছি।' তিনি বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকেও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মির্জা ফখরুল আরও উল্লেখ করেন, 'আজ একটি ভিন্ন পরিবেশে আমরা এই স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করতে পারছি। আমরা সম্পূর্ণ মুক্ত, ফ্যাসিস্টমুক্ত পরিবেশে দিনটি উদযাপন করতে যাচ্ছি। আমাদের একটাই দুঃখ, এই দিনে আমাদের স্বাধীনতার আরেক সংগ্রামী নেত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের মাঝে নেই।' তার এই মন্তব্য বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের গুরুত্ব

সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে এই শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানটি কেবল একটি প্রথাগত কর্মসূচিই নয়, বরং এটি জাতীয় ঐক্য ও সংহতির একটি শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে কাজ করে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উপস্থিতি এবং তার বক্তব্য দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে আসছে।

এই অনুষ্ঠানে তার অংশগ্রহণ এবং নতুন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার জাতীয় পর্যায়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, স্বাধীনতা দিবসের এই প্রেক্ষাপটে তার বক্তব্য ভবিষ্যতের রাজনৈতিক দিকনির্দেশনার জন্য একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করতে পারে।